পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি,নিজেদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আনা বাড়াতে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ব্যাংকটি জানিয়েছে যে , ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আনা বাড়াতে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দেয়ার অংশ হিসাবে ওয়াশিং মেশিন উপহার দিবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। শুধু তাই নয়, আগামী দুই মাস ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ এফজেডইর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠালে ওয়াশিং মেশিনের পাশাপাশি বিনা পয়সায় পরিবার নিয়ে দেশের বড় সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে বেড়ানোর সুযোগও পেতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের সদস্যগন।
গত বৃহস্পতিবার ১৭ ই আগস্ট ,২০২৩ ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনাপরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা ইসলামীব্যাংক–ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ রেমিট্যান্স নামের এই উৎসবের উদ্বোধন করেন। ব্যাংকটিরউপব্যবস্থাপনা পরিচালক মিফতাহ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইনস্ট্যান্টক্যাশ এফজেডইয়ের প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা অঞ্জলি মেনন। ইসলামী ব্যাংকের পাঠানোসংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানান হয়।
ইসলামী ব্যাংক জানিয়েছে, ২০ শে আগস্ট ,২০২৩ থেকে আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্তইসলামী ব্যাংকের এই অফার চলবে। এ সময় যাঁরা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ এফজেডইয়ের মাধ্যমেইসলামী ব্যাংকে রেমিট্যান্স পাঠাবেন, তাঁদের মধ্য থেকে প্রতিদিন ডিজিটাল ড্রয়ের ভিত্তিতেএকজনকে ওয়াশিং মেশিন উপহার দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ৪৩টি ওয়াশিং মেশিন উপহারদেওয়া হবে। এ ছাড়া বিজয়ী তিন সদস্যের একটি পরিবারকে ঢাকা–কক্সবাজার যাওয়া–আসার বিমান টিকিটসহ দুই রাত হোটেলে থাকার সুযোগ উপহার দেওয়া হবে।
ইসলামী ব্যাংকের এমডি ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মাওলা বলেন, দেশে অর্জিতরেমিট্যান্সের প্রায় এক–তৃতীয়াংশ আহরিত হয় ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে।
ইসলামী ব্যাংক জানায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫২টি রেমিট্যান্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানেরচুক্তি রয়েছে তাদের। প্রবাসীরা এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অল্প ব্যয়ে দ্রুত ও নিরাপদে তাঁদেরঅর্থ দেশে পাঠাতে পারেন। সারা দেশে ইসলামী ব্যাংকের ৩৯৪টি শাখা ও ২৩৬টি উপশাখা, ২ হাজার ৬৯৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৬ হাজার এটিএম বুথ রয়েছে।
বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এখনো বাংলাদেশের মানুষের আস্থার ব্যাংক হিসাবে অগ্রগন্য।মানুষের আস্থার স্থানটিতে আর যেন কোন অশুভ শক্তি ক্ষতি না করতে পারে সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক সহ অন্যান্য রেগুলেটরির বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ ।দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ব্যাংকিং সেক্টর কে দুর্নীতি মুক্ত রাখতে এক যোগে সকল রেগুলেটরি কাজ করবে এই আশা আপামর বাঙালির ।