ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে। বিশ্ব শেয়ারবাজারে ধস নেমেছে।পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের বাজারেই প্রভাব পড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেরেছে সোনার মূল্য। যুক্তরাষ্ট্রসহ চীন, তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনামের মতো দেশের শেয়ারবাজার বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে।
ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক ঘোষণার আগের দিন চাঙা ছিল এশিয়ার শেয়ার বাজারগুলো। লাভের মুখ দেখেছিল যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার সূচক সেনসেক্স ও নিফটি।
আজ বৃহস্পতিবার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ার সূচক দ্রুত নামতে শুরু করে। যদিও ডলারের তুলনায় জাপানের মুদ্রা ইয়েনের দর বেড়েছে।
ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার সূচক নাসডাক ফিউচার্সের পতন হয়েছে ৩.৩ শতাংশ। প্রযুক্তি খাতের বৃহৎ ৭টি প্রতিষ্ঠানের বাজার মূলধন কমেছে ৭৬০ বিলিয়ন বা ৭৬ হাজার কোটি ডলার। অ্যাপলের আইফোনের সিংহভাগ উৎপাদিত হয় চীনে। ফলে অ্যাপলের শেয়ারের দাম কমেছে সবচেয়ে বেশি বা ৭ শতাংশ।
এ ছাড়া এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্স কমেছে ২.৭ শতাংশ; এফটিএসই ফিউচার্স কমেছে ১.৬ শতাংশ; ইউরোপিয়ান ফিউচার্স কমেছে প্রায় ২ শতাংশ।
বিদেশী সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, ট্রাম্পের ঘোষণার জেরে টোকিওর নিক্কেই (টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের স্টক মার্কেট সূচক) প্রাথমিকভাবে ৩.৯ শতাংশ কমে যায়, যদিও পরে তা কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়। পতনের হার শেষমেশ ২.৯ শতাংশে দাঁড়ায়। জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ এবং আমেরিকার অন্যতম ‘বন্ধু’ দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে সে দেশের শেয়ারবাজারেও। হংকং ও সাংহাইয়ে একই প্রভাব পড়েছে। কোথাও পতনের হার ১.৫ শতাংশ, কোথাও আবার ১.৪ শতাংশ।
শুধু সোনা নয়, প্রভাব পড়েছে তেলের দামেও। অপরিশোধিত তেলের ব্র্যান্ড ব্রেন্ট ফিউচার্সের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২.৫৬ ডলারে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ে একজন বাজার বিশ্লেষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান ভাগ্য ভাল দেশের শেয়ার বাজার বন্ধ আছে,তা না হয় দেশের শেয়ার বাজারেও পতন হত বিশেষ করে টেক্সটাইল খাতের পতন হত।