অর্থ লিপি

২৪ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ৮ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের রক্তক্ষরণ যে কারণে বন্ধ হচ্ছে না!

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাস দীর্ঘ হলেও এখনো একটি শক্তিশালী, গভীর, স্বচ্ছ ও স্থিতিশীল পুঁজিবাজার হিসেবে কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন জোগান এবং বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে পুঁজিবাজারের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তারও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি।

১৯৯৬ থেকে ২০২৬, প্রায় তিন দশকের এই সময়ে দেশের পুঁজিবাজারে একাধিকবার বড় ধরনের উত্থান-পতন দেখা গেছে। এসব সংকটের প্রভাব পড়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারী থেকে শুরু করে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ পুরো বাজার ব্যবস্থায়। অনেক বিনিয়োগকারী হারিয়েছেন সারা জীবনের সঞ্চয়, কেউ হারিয়েছেন অবসরকালীন অর্থ। আবার মার্জিন ঋণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হয়েছে ‘ইকুইটি নেগেটিভ’-এর মতো জটিল সমস্যা।

আমি দীর্ঘ ৩১ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং সরাসরি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলে ধরছি।

বাজারের বর্তমান রক্তক্ষরণকে শুধু সূচকের পতন বা লেনদেন কমে যাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখলে সমস্যার গভীরে যাওয়া সম্ভব হবে না। এর পেছনে রয়েছে আস্থার সংকট, নীতির অনিশ্চয়তা, কাঠামোগত দুর্বলতা, কর্পোরেট সুশাসনের ঘাটতি এবং বাজারের বিভিন্ন অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।

রক্তক্ষরণের প্রধান কারণগুলো কী?

১. অতিমাত্রায় ও ঘন ঘন নিয়ন্ত্রক হস্তক্ষেপ

বাজারে অনিয়ম ও কারসাজি রোধে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারি অবশ্যই প্রয়োজন। তবে নিয়মিত ও হঠাৎ পরিবর্তন, অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ কিংবা এমন সিদ্ধান্ত যা বিনিয়োগকারীদের কাছে পূর্বানুমানযোগ্য নয়, তা বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বাজারকে পরিচালনা করা নয়, বরং বাজারকে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হওয়ার পরিবেশ তৈরি করা।

২. সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব

পুঁজিবাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বাজার। বাজারের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হলে সংকট আরও গভীর হতে পারে।

সময়মতো সিদ্ধান্ত, স্পষ্ট নির্দেশনা এবং দ্রুত বাস্তবায়ন বাজারের আস্থা ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

৩. বড় বিনিয়োগকারী ও মার্কেট মেকারদের ওপর নজরদারির পদ্ধতি

বড় বিনিয়োগকারী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কিংবা মার্কেট মেকারদের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি অবশ্যই প্রয়োজন। তবে নজরদারির পদ্ধতিও হতে হবে ঝুঁকিভিত্তিক, স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কারণ অতিরিক্ত বা অস্পষ্ট প্রক্রিয়া যদি ভালো বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত বাজারের জন্যই বুমেরাং হতে পারে।

৪. বিনিয়োগকারীদের চরম আস্থার সংকট

বর্তমান পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সমস্যা সম্ভবত আস্থা।

একবার বিনিয়োগকারীর মনে যদি এই ধারণা তৈরি হয় যে বাজারে তার অধিকার যথাযথভাবে সুরক্ষিত নয়, ভালো কোম্পানি ও দুর্বল কোম্পানির মধ্যে পার্থক্য করা কঠিন, অথবা অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা হয় না, তাহলে তাকে পুনরায় বাজারে ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব, তবে সেটি বক্তব্য দিয়ে নয়, ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে।

৫. তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের দুর্বলতা

শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া, তথ্য প্রকাশে ঘাটতি, দুর্বল পরিচালনা পর্ষদ, স্বার্থের সংঘাত এবং সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার যথাযথভাবে রক্ষা না করার মতো বিষয়গুলো বাজারের প্রতি আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ভালো কোম্পানি ও ভালো ব্যবস্থাপনা ছাড়া শক্তিশালী পুঁজিবাজার তৈরি করা সম্ভব নয়।

৬. মার্জিন ঋণের ঝুঁকি

মার্জিন ঋণ পুঁজিবাজারে তারল্য ও বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়াতে পারে। কিন্তু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দুর্বল হলে এটি বিনিয়োগকারীর ক্ষতির মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষ করে বাজার দীর্ঘ সময় দুর্বল থাকলে ঋণনির্ভর বিনিয়োগ থেকে ‘ইকুইটি নেগেটিভ’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব শুধু বিনিয়োগকারীর ওপর নয়, মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান এবং পুরো বাজারের ওপর পড়ে।

৭. অতিরিক্ত কমিশননির্ভর ট্রেডিং সংস্কৃতি

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক আয় গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যদি ট্রেডার বা সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ওপর অস্বাভাবিক কমিশন আয়ের চাপ থাকে, তাহলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ট্রেডিংয়ের প্রবণতা তৈরি হতে পারে।

এক্ষেত্রে গ্রাহকের স্বার্থ, উপযুক্ত বিনিয়োগ পরামর্শ এবং পেশাগত নৈতিকতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

ব্রোকারেজ ব্যবসার সংস্কৃতি হওয়া উচিত Transaction – Driven নয়, Client – centric।

৮. বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয়ের প্রয়োজন

ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

তাই নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নে আরও কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

৯. ভালো কোম্পানির পর্যাপ্ত তালিকাভুক্তি না হওয়া

একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজারের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ভালো কোম্পানি।

বহুজাতিক কোম্পানি, বড় দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী, লাভজনক ও দ্রুত বর্ধনশীল প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতের কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আনার জন্য কার্যকর ও আকর্ষণীয় কাঠামো তৈরি করতে হবে।

শুধু সংখ্যায় কোম্পানি বাড়ানো নয়, মানসম্পন্ন কোম্পানির সংখ্যা বাড়ানোই হতে হবে মূল লক্ষ্য।

১০. দুর্বল শেয়ার ডাম্পিং ও পার্কিংয়ের অভিযোগ

দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ শেয়ার কোনোভাবে সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থাকলে তা দীর্ঘমেয়াদে এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতাকেও দুর্বল করতে পারে।

বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির কাঠামো নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

আরও যে বিষয়গুলোতে নজর দেওয়া জরুরি

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করতে আরও কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

১. বিনিয়োগকারী সুরক্ষা ও দ্রুত প্রতিকার

বিনিয়োগকারীর অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো অনিয়মের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রতিকার পাওয়ার প্রক্রিয়া যত দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, বাজারের প্রতি আস্থাও তত বাড়বে।

২. প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানো

পুঁজিবাজারকে শুধু খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর রাখলে স্থিতিশীলতা অর্জন কঠিন। মিউচুয়াল ফান্ড, পেনশন ফান্ড, বিমা কোম্পানি, ব্যাংক ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।

৩. বাজারে নতুন পণ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি

শুধু সাধারণ শেয়ারনির্ভর বাজার দীর্ঘমেয়াদে গভীর হতে পারে না। বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড, ETF, ডেরিভেটিভসসহ ঝুঁকি ও বিনিয়োগকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন আর্থিক পণ্যের উন্নয়ন প্রয়োজন।

৪. IPO ব্যবস্থায় সংস্কার

ভালো কোম্পানিকে বাজারে আনতে IPO প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে হবে। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর কোম্পানির সুশাসন ও তথ্য প্রকাশ নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নজরদারি থাকতে হবে।

৫. গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক বিনিয়োগের সংস্কৃতি

গুজব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বা কথিত ‘টিপস’-এর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে মৌলভিত্তি, আর্থিক প্রতিবেদন, মূল্যায়ন ও ঝুঁকি বিশ্লেষণভিত্তিক বিনিয়োগ সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

৬. করনীতিতে স্থিতিশীলতা

পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কর কাঠামোও হতে হবে স্থিতিশীল, যৌক্তিক ও বিনিয়োগবান্ধব। ঘন ঘন করনীতির পরিবর্তন বিনিয়োগকারীর সিদ্ধান্তে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

৭. এনফোর্সমেন্টে দৃশ্যমানতা ও সমতা

বাজারে অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কেন নেওয়া হচ্ছে, সেই প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হচ্ছে, এই বিশ্বাস তৈরি না হলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ফিরবে না।

‘সূচক ধরে রাখা’ নয়, প্রয়োজন আস্থা ধরে রাখা।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গা হলো পুঁজিবাজারে মানুষের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও স্বপ্নের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ক্ষতির গল্প।

প্রায় ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি পুঁজিবাজারের বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি এবং সরাসরি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তাদের আশা, ভয়, হতাশা এবং সর্বস্ব হারানোর কষ্ট তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

অনেক মানুষ অবসরকালীন অর্থ, সারা জীবনের সঞ্চয় কিংবা পরিবারের ভবিষ্যতের অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। তাদের কেউ কেউ সেই অর্থ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

তার ভাষায়, একটি দেশের পুঁজিবাজার শুধু শেয়ার, সূচক ও লেনদেনের হিসাব নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে লাখ লাখ মানুষের সঞ্চয়, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ।

আমার দেখা একজন প্রবীণ বাজারকর্মীর আক্ষেপ

প্রায় দুই বছর আগে একটি ফোরামে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন প্রবীণ ব্রোকার বলেছিলেন, “গত ৫০ বছর কাজ করেও একটি শক্তিশালী পুঁজিবাজার দেখে যেতে পারলাম না।”

১৯৭৫ সাল থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রোকার হিসেবে কাজ করা ওই প্রবীণ আমার সাথে পরিচয়ের কয়েক মাস পর ওই বাজারকর্মীও পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।

একজন অভিজ্ঞ বাজারকর্মীর এই আক্ষেপ শুধু ব্যক্তিগত হতাশা নয়, বরং বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের জন্য একটি বড় আত্মজিজ্ঞাসা।

এখন প্রশ্ন, ভবিষ্যতের বাজার কেমন হবে?

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে শুধু সূচক বাড়ানো কিংবা লেনদেনের পরিমাণ বাড়ানো যথেষ্ট নয়।

প্রয়োজন এমন একটি বাজার ব্যবস্থা, যেখানে—

ভালো কোম্পানি ভালো মূল্যায়ন পাবে, বিনিয়োগকারীর অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, অনিয়মকারী দ্রুত শাস্তির আওতায় আসবে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়বে, নীতির ধারাবাহিকতা থাকবে এবং বাজারের প্রতিটি অংশীজনের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাজারকে কৃত্রিমভাবে ধরে রাখার পরিবর্তে বাজারের ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে।

কারণ সূচক সাময়িকভাবে বাড়ানো সম্ভব, লেনদেন সাময়িকভাবে বাড়ানো সম্ভব, কিন্তু আস্থা কৃত্রিমভাবে তৈরি করা যায় না।

আস্থা তৈরি হয় স্বচ্ছতা, সুশাসন, জবাবদিহি, নীতির ধারাবাহিকতা এবং বাস্তব কাজের মাধ্যমে।

তাই প্রশ্নটি থেকেই যায়—

আমরা কি আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পুঁজিবাজার রেখে যেতে পারব?

নাকি আরও কয়েক দশক পরও একই প্রশ্ন করতে হবে—

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার কেন এখনো শক্তিশালী হলো না!

লেখক:
মো: আলমগীর হোসেন
পুঁজিবাজার বিশ্লেষক

 

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।