প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মন্ত্রী হচ্ছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আফরোজা খানমকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় মানিকগঞ্জে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান। তাঁর বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য; মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।
বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে আসেন আফরোজা খানম। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী বাবা হারুনার রশিদ খানের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের শুরু তাঁর। এরপর জেলা ও রাজধানী ঢাকায় দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে অংশ নেন তিনি। আফরোজা খানম ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ (হরিরামপুর ও সিঙ্গাইর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরের বছর ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আফরোজা খানম মন্ত্রীসভায় ডাক পাওয়ায় আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীসহ জেলাবাসী। বিএপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য আ ফ ম নূরতাজ আলম বাহার বলেন, ‘আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন, এ খবরে শুধু দলের নেতা-কর্মীই নন, পুরো জেলাবাসীই আনন্দিত ও গর্বিত।
মন্ত্রী হলে জেলার উন্নয়নে তিনি আরও ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন। ঢাকার খুব কাছের জেলা হয়েও বিগত সময়ে মানিকগঞ্জে কোনো উন্নয়ন হয়নি। আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হলে অবহেলিত এই জেলার উন্নয়নসহ সারা দেশে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য আফরোজা খানম মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান।মুন্নু গ্রুপের তিনটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত।কোম্পানি তিনটি হলো: মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড , মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেড এবং মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।