অর্থ লিপি

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি গ্রেপ্তার হতে পারেন

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র রিপাবলিকানরা। তারা বলেছেন, বিচার করলে সেটা হবে ক্ষমতার অপব্যবহার। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধ যেই করুক, বিচারের মুখোমুখি তাকে হতেই হবে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট শনিবার জানিয়েছিলেন, আগামী সপ্তাহে তিনি গ্রেপ্তার হতে পারেন। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে পর্নোতারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে মুখ বন্ধ রাখতে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে তার আইনজীবী অর্থ দিয়েছিল, বিচার সেটি নিয়ে হতে পারে।

৭৬ বছর বয়সী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরও বেশ কয়েকটি অভিযোগের তদন্ত চলছে। যদিও তাকে এখনও কোনও অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়নি। এসবের মধ্যেই ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান মনোনীত প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রচার চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে কি না, তা এখনও জানা যায়নি।

সাবেক মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এবং মার্কিন কংগ্রেসের সবচেয়ে সিনিয়র রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যাককার্থি ফৌজদারি মামলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

মার্কিন নেটওয়ার্ক এবিসি নিউজকে পেন্স বলেন, ‘ম্যানহাটনের জেলার অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ (ডেমোক্র্যাট) ট্রাম্পের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত মামলাগুলো চালাচ্ছেন। নিউ ইয়র্ক সিটিতে যখন একের পর অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্টকে অভিযুক্ত করা নিয়ে ব্যস্ত তিনি, এ ঘটনায় আমি বিস্মিত।’
তিনি ব্রডকাস্টারকে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন ম্যানহাটনের ডিএ (জেলা অ্যাটর্নি)।’

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সমর্থকদের ব্যাপক বিক্ষোভের আহ্বান জানান ট্রাম্প। বিক্ষোভের আহ্বান সম্পর্কে জানতে চাইলে পেন্স বলেন, ‘মার্কিন নাগরিকদের শান্তিপূর্ণভাবে একত্রিত হওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।’

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি এই তদন্তকে ‘একজন মৌলবাদী ডিএ’র ক্ষমতার একটি জঘন্য অপব্যবহার’ বলে অভিহিত করেছেন।
টুইটে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দিয়ে নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে ফেডারেল অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না তা তদন্ত করা উচিত।’
এদিকে এবিসি নিউজের সঙ্গে কথা বলার সময় ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর এলিজবেথ ওয়ারেন বলেন, ‘কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এমনকি তিনি যদি প্রেসিডেন্ট হয়ে থাকেন তাতেও কিছু আসে যায় না। অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে।’

সূত্র: বিবিসি

 

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।