পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের কোম্পানি জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের (GPHISPAT) পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির সম্পদ পুর্নমূল্যায়নের প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে।
২৬ শে জুন ২০২৩ তারিখে, ৩১ মে ২০২৩, আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সম্পদ পুর্নমূল্যায়নের প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে।
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের আগে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের (GPHISPAT) শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৬.৭৭ টাকা । সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের পর তা বেড়ে হয়েছে ৫২.৩৬ টাকা।

সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের পরে সম্পদ মূল্য বেড়েছে ৯৬ শতাংশ।
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নে কোম্পানিটির নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) বেড়ে (৯৬ শতাংশ )প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিলম্বিত কর বাবদ ৩০৪ কোটি ২৯ লাখ ২১ হাজার ৪০৯ টাকা পুনর্মূল্যায়ন উদ্বৃত্ত থেকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। কোম্পানিটি বহুদিন যাবৎ ফ্লোর প্রাইজে আটকে আছে। উল্লেখযোগ্য তেমন কোন লেনদেন হচ্ছেনা।
চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মোট ৯ মাস মিলে (জুলাই–মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ০.৬৮ টাকা । যা গত অর্থবছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল. ৩৯ টাকা। কোম্পানিটির ৯ মাস মিলে লোকসান হলেও ১ম ও২য়প্রান্তিকের লোকসান কাটিয়ে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১.১৬টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল১.৩৪ টাকা।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১–২২ অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ার হোল্ডারদের জন্য সর্বমোট১১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল, এর মধ্যে সাড়ে ৫ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ছিল । ২০২১–২২ অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩.৪২ টাকা
তবে চলতি ২০২২/২৩ অর্থবছরে ইপিএস, এনএভিপিএস এবং এনওসিএফপিএস– এ উল্লেখযোগ্য হারে কমার কারণ জানিয়েছে কোম্পানিটি, কোম্পানি জানিয়েছে যে বৈদেশিক মুদ্রা রূপান্তর হার বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে ইপিএস এবং এনএভিপিএস হ্রাস পেয়েছে। সরবরাহকারীদের অর্থ প্রদানের কারণে NOCFPS হ্রাস পেয়েছে।
এপ্রিল ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৪৬০ কোটি ৮৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৮১ কোটি ২১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৬ কোটি ৮ লাখ ৪১ হাজার ৩৮৭। এরমধ্যে পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৯.৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭.৯৩ শতাংশ ও বাকি ৩২.৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে।
উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ভালো মৌল ভিত্তির হলে ও গত ১ বছর যাবৎ ফ্লোর প্রাইজে আটকে থাকার কারণে বিনিয়োগকারীরা উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন।