আফ্রিকা মহাদেশের ঔষধের বাজার ধরতে ২০১৮ সালে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস কেনিয়াইপিজেড প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করা হয়েছিল। করোনার কারণে ফ্যাক্টরি নির্মাণকাজের গতিকমে গেলেও পরে খুব দ্রুত নির্মাণ শেষ হয়। ২০২১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যাক্টরিটিকার্যক্রম শুরু করে। এখান থেকে ঔষধ উৎপাদন করে আফ্রিকা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঔষধ রপ্তানি করা হয়।
গত (১৩ অক্টোবর) কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম সামোই রুটো স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসকেনিয়া ইপিজেড লিমিটেডের ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় শিল্প ও স্বাস্থ্যখাত এবংআন্তর্জাতিক সম্পর্কের উন্নয়নে এই সফর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস কেনিয়া ইপিজেড লিমিটেডের প্রজেক্ট ডিরেক্টর অঞ্জন কুমার দাসকেনিয়ার রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম সামোই রুটোকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
রাষ্ট্রপতির সাথে সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন একদল উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।উল্লেখযোগ্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সুসান ওয়াফুলা নাখুমিচা, শিল্প বাণিজ্য ও বিনিয়োগ মন্ত্রী রেবেকা মিয়ান, চিকিৎসাসেবা মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত সচিবহেরি কিমটাই, সংসদ সদস্য মিসেস এলিজাবেথ কাইলেমিয়া, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসকেনিয়া ইপিজেড লিমিটেডের পরিচালক ড. ইরুকি কাইলেমিয়া, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসকেনিয়া ইপিজেড লিমিটেডের চিফ ফার্মাসিস্ট ড. মারেতে এনজোকা এবং কেনিয়ায় নিযুক্তবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব তারেক মুহাম্মদ।

প্রেসিডেন্ট রুটো তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কেনিয়া স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং অন্যান্যফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফ্যাক্টরি স্থাপনের মাধ্যমে পূর্ব আফ্রিকার প্রায় ৪ কোটিমানুষকে সেবা দেওয়ার এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস কেনিয়া ইপিজেডের অত্যাধুনিক ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখেন।কর্মীদের নিষ্ঠা ও একাগ্রতার প্রশংসা করেন তিনি। এ সময় স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসেরউৎপাদন সংক্রান্ত পানি, বিদ্যুৎ যাতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ হয় সে ব্যাপারে উপস্থিতমন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের পূর্ব আফ্রিকাতেরপ্তানিতেও যে সকল সাহায্য প্রয়োজন তার দিকে খেয়াল রাখতেও মন্ত্রী পরিষদকে নির্দেশদেন।
২০২১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যাক্টরিটি কার্যক্রম শুরু করে। এখান থেকে ঔষধ উৎপাদন করে আফ্রিকা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঔষধ রপ্তানি করা হয়।এই উৎপাদন এর ফলে ভবিষ্যতে কোম্পানির মুনাফা বেশ বাড়বে ,যার ফলে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শেয়ারহোল্ডারগন ও উপকৃত হবেন।