অর্থ লিপি

৩০ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

গণহারে গ্যাস্ট্রিক, বাঁচার উপায় কি? : ষষ্ঠ পর্ব

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

আমরা আগেই জেনেছি, H. Pylori ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন   NSAIDs শ্রেণির ব্যাথানাশক ঔষধ খেলে গ্যাস্ট্রিক হয়। কিন্তু দেখা গেছে H. Pylori আক্রান্ত মাত্র ১০১৫% মানুষেরসমস্যা হয় এবং বাকি ৮৫৯০% মানুষকে এই ব্যাকটেরিয়া কিছু করতে পারে না। সুতরাং এখানে অন্য ফ্যাক্টর আছে।

যাদের গ্যাস্ট্রিক সমস্যা হয়

যাদের পাকস্থলীতে ইনফ্লেমেশন (প্রদাহ) দেখা দেয়। যাদের পাকস্থলীর অন্তর্গাত্রের (মিউকোসা লাইনিং) গঠন দুর্বল। যাদের ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল।

পাকস্থলীর ইনফ্লেমেশন কেন হয়  ?

কোন জীবাণু আক্রমণ করলে, লাগাতার ইনফ্লেমেটারি খাদ্য খেলে (সুগার, গ্রেইন, প্রসেসড ফুড, ফাস্ট ফুড),বেশি সফটড্রিংকস, জুস, দুধ চা, দুধ কফি খেলে ,অতিরিক্ত মদ্যপান করলে, ক্রনিক স্ট্রেস থাকলে, বেশি বেশি ডিপ ফ্রাই (ভাজাপোড়া) খাদ্য খেলে, পোড়া তেলের রান্না খেলে, টক্সিন বা বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত খাবার খেলে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল তেল (সয়াবিন, রাইস বার্ণ, ক্যানোলা, পাম, সানফ্লাওয়ার), ট্রান্স ফ্যাট খেলে, অতিরিক্ত প্রসেসড মাংস রেড মিট খেলে, ব্যাথা নাশক ঔষধ (NSAID) খেলে (যেমন এসপারিন), বেশি কেমিক্যাল ঔষধ খেলে, অতিরিক্ত ল্যাকটোজ, গ্লূটেন ইত্যাদি উত্তেজক খাবার খেলে, ওমেগা না খেয়ে কেবল ওমেগা তেল খেলে, টেস্টিং সল্ট (MSG) আর্টিফিশিয়াল মিষ্টান্ন খেলে।

আপনি যদি পাকস্থলী সুস্থ থাকার পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে পারেন, ইনফ্লেমেশন কমাতে পারেন এবং ইমিউনিটি বুস্টিং করতে পারেন তবে আপনার গ্যাস্ট্রিক আলসার হবার সম্ভাবণা নেই। এমনকি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থাকলেও আস্তে আস্তে ভাল হয়ে যাবে।

পরবর্তী পর্বে থাকবে গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ বা নির্মূলের উপায় নিয়ে আলোচনা।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।