বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য অবন্টিত লভ্যাংশ বুঝিয়ে দেয়ার জন্য কাজ করছে পুঁজিবাজার স্থিতিশীল তহবিল বা (CMSF) ,এটি গঠনের পর এখন পর্যন্ত ১১৭০ জন বিনিয়োগকারীকে তাঁদের প্রাপ্য অবন্টিত লভ্যাংশ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন ৮০০ বিনিয়োগকারী। আর বোনাস লভ্যাংশ পেয়েছেন ৩৭০ বিনিয়োগকারী।
অনেক বছর যাবৎ এসব বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর হাতে অবণ্টিত লভ্যাংশ হিসেবে আটকে ছিল। CMSF গঠনের পর এসব অবণ্টিত লভ্যাংশের একটি বড় অংশ তহবিলে ফেরত আনা হয়েছে। সেখান থেকে এখন তা লভ্যাংশের দাবিদারদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির উদ্যোগে গঠিত সিএমএসএফের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান।
পুঁজিবাজারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম বাসিএমজেএফ আয়োজিত ‘সিএমজেএফ টকে’ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।রাজধানীর পল্টনে সিএমজেএফ কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেনসংগঠনটির সভাপতি জিয়াউর রহমান। আর সঞ্চালনায় ছিলেন সিএমজেএফের সাধারণসম্পাদক আবু আলী।
অনুষ্ঠানে নজিবুর রহমান বলেন, সিএমএসএফের আকার বেড়ে এখন ১,২৭০ কোটি টাকায়দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে বিনিয়োগকারীদের অবণ্টিত ও দাবিহীন বোনাস ও রাইট শেয়ারের মূল্য৭১০ কোটি টাকা। আর নগদ লভ্যাংশের পরিমাণ প্রায় ৫৬০ কোটি টাকা। গত বছর এই তহবিলের পরিচালন খরচ মিটিয়ে আরও ৯ কোটি টাকা তহবিলে যুক্ত হয়েছে। এ বছর তারচেয়েও বেশি টাকা জমা হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।
জনাব নজিবুর রহমান বলেন, CMSF পুঁজিবাজারের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি উদ্ভাবন।এত দিন নানা কারণে অনেক বিনিয়োগকারীর প্রাপ্য লভ্যাংশ এবং বোনাস ও রাইট শেয়ার কোম্পানিগুলোর কাছে আটকে ছিল। সিএমএসএফ গঠিত হওয়ায় তাদের সেই লভ্যাংশবুঝে পাওয়ার সহজ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে।পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে তহবিলের আকার বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোহচ্ছে। যেসব কোম্পানি গত ৩০ জুনের মধ্যে অবণ্টিত লভ্যাংশ ও শেয়ার তহবিলে স্থানান্তর করেনি, তাদের ২ শতাংশ হারে সারচার্জ দিতে হবে।