বাজারে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় দেশের শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সূচকে সামান্য ঊর্ধ্বগতি থাকলেও আগের কার্যদিবসের তুলনায় কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) আজ ডিএসইতে মোট ৫২৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা গত কার্য দিবসে হয়েছিল ৫৯৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার।
ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ২.৫০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫২৯২.১৯ পয়েন্টে। এছাড়া শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ ৩.৯০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬২.২৮ পয়েন্টে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ০.৮১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২০৩৮.০২ পয়েন্টে।

আজ লেনদেনে অধিকাংশ সময়ই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ফলে বিক্রির চাপে অনেক কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়। তবে কিছু বড় মূলধনী কোম্পানির শেয়ারের দামের সামান্য উত্থানে প্রধান সূচক নামমাত্র বেড়ে দিন শেষ করে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো কিছুটা সতর্কতা কাজ করছে। তাছাড়া ভূরাজনৈতিক আতংকের কারণে গত সপ্তাহে কমে দামে ক্রয় করা শেয়ারের অনেকেই মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতায় বিক্রির দিকে ঝুঁকছেন। এর প্রভাবেই লেনদেনের গতি কিছুটা কমে এসেছে।
তাদের মতে, বাজারে আস্থা বাড়াতে নীতিনির্ধারকদের ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং বড় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। তাহলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং লেনদেনও বাড়তে পারে।
প্রসঙ্গত, ঈদের ছুটির আগে শেয়ারবাজারে আর মাত্র ৩ কার্যদিবস লেনদেন বাকি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার, আগামী সপ্তাহের প্রথম দুই দিন রবিবার ও সোমবার। যারা শেয়ার বিক্রি করে ঈদের আগে টাকা উত্তোলন করবে , তাদেরও একটা শেয়ার বিক্রির চাপ ছিল আজ, যে কারণে বাজার মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন হয়েছে ।