দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি (CLICL)-এর ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
সোমবার রাজধানীর গুলশান শুটিং ক্লাবে হাইব্রিড পদ্ধতিতে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল আকতার।
এ সময় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্য, শেয়ারহোল্ডার, ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব জিএম রাশেদ, এসিএস।
এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন, ২০২৬ অর্থবছরের জন্য নিরীক্ষক নিয়োগ এবং পরিচালকদের নির্বাচনসহ সভার অন্যান্য এজেন্ডাও অনুমোদিত হয়।
সভায় চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল আকতার বলেন, দেশের জীবন বীমা খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে দেশে বীমার পেনিট্রেশন বা বিস্তার তুলনামূলকভাবে কম। এ খাতের পেনিট্রেশন বাড়ানো সম্ভব হলে জাতীয় অর্থনীতিতে, বিশেষ করে জিডিপিতে, বীমা খাতের অবদান আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে চার্টার্ড লাইফকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করার পাশাপাশি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে পরিচালনা পর্ষদ ও ম্যানেজমেন্ট একযোগে কাজ করছে।
কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত সিইও মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ বলেন, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে বীমা দাবি পরিশোধ করে থাকে। ২০২৫ সালে কোম্পানির দাবি নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৯.০৮ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন, শতভাগ কমপ্লায়েন্স ও করপোরেট গভর্ন্যান্স নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোম্পানি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এর স্বীকৃতি হিসেবে চার্টার্ড লাইফ ১২তম আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। পাশাপাশি কোম্পানিটি দীর্ঘমেয়াদে ‘AA’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘ST-1’ ক্রেডিট রেটিং অর্জন করেছে।
‘ভিশন ২০৩০’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দক্ষ ও শক্তিশালী সেলস টিম গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতেও কোম্পানির ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে শেয়ারহোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এজিএমে কোম্পানির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ব্যবসার অগ্রগতি এবং ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়।