অর্থ লিপি

২৮ জুন ২০২৬ রবিবার ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

করমুক্ত আয়সীমা নিয়ে সুংসবাদ সরকারের

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সরকার ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

ফলে বেতন আয়ের এক-তৃতীয়াংশ করমুক্ত থাকার বিদ্যমান সুবিধা বিবেচনায় বছরে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত বেতন আয় হলে আয়কর দিতে হবে না।

তবে রেয়াতের সীমা কমানো এবং সঞ্চয়পত্র, সরকারি সিকিউরিটিজ, এফডিআর-এর সুদ থেকে কেটে নেওয়া উৎসে করকে চূড়ান্ত কর দায়ের বদলে অগ্রিম কর হিসাবে গণ্য করায় করদাতাদের ওপর করের বোঝা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে নিয়মিত কর পরিশোধের মাধ্যমে জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য দেখানোর যে সুযোগ রাখা হয়েছিলো, সেটিও বাতিল করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ব্যাংকিং কার্যক্রম সহজ করতে ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক রাখার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসছে সরকার। তবে শেয়ারবাজারে লভ্যাংশ আয়ের ওপর বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত থাকবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছি। মূল্যস্ফীতির চাপ বিবেচনায় আগামী অর্থবছরের জন্য এ সীমা আরও বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে করমুক্ত আয়ের সীমা আরও ৫০ হাজার টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোয় নিম্ন আয়ের করদাতারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে করহারে পরিবর্তন না এলে ব্যবসা, কৃষি, বাড়িভাড়া, আর্থিক সম্পদ বা অন্যান্য উৎস থেকে আয় করা ব্যক্তিদের করের চাপ বাড়তে পারে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।