অর্থ লিপি

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্পতিবার ২ আশ্বিন ১৪৩৩

আগামী ২-৩ মাসেই শেয়ারবাজারে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

শেয়ারবাজারে তারল্য বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিনিয়োগ ওশেয়ারবাজা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সরকারেরশেয়ারবাজা্রকেন্দ্রিক বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সংস্কার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তানভীর শাহরিয়ার গনি বলেন, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সাধারণ  বিনিয়োগকারীদের ওপর নির্ভরতা বেশি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম। ফলে সামান্য কোনো ঘটনাতেও বাজারে আতঙ্ক তৈরি হয়ে বিক্রির চাপ বাড়তে পারে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে দেশীয় ও বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান,শেয়ারবাজারের উন্নয়নে সরকারের সর্বোচ্চ গুরুত্বের দুটি বিষয় হলো তারল্য বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি বাড়ানো। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে বাজারের অনেক কাঠামোগত সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া উচ্চ ঋণগ্রস্ত ও ঋণাত্মক ইকুইটির কোম্পানিগুলোকে মূলধন সংগ্রহের সুযোগ দিয়ে আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য তিন বছর মেয়াদি একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতের কথা জানান তিনি।

শেয়ারবাজারে নতুন পণ্য আনার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তানভীর শাহরিয়ার গনি। এর মধ্যে ডেরিভেটিভসসহ বিভিন্ন নতুন আর্থিক পণ্য এবং কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর উদ্যোগ রয়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পগুলোর অর্থায়নে ব্যাংকনির্ভরতা কমিয়েশেয়ারবাজারকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, শক্তিশালী ও মৌলভিত্তিক কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি পরিবর্তন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আইপিও অনুমোদনের সময় ১৮-২৪ মাস থেকে কমিয়ে দুই থেকে তিন মাসে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

তানভীর শাহরিয়ার গনি বলেন,শেয়ারবাজারে আস্থার সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সরকারের নেওয়া সংস্কার ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বাজারে আস্থা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী ও উন্নত পুঁজিবাজার গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বিনিয়োগ পরিবেশের বিভিন্ন বাধা দূর করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হবে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।