পারস্য উপসাগর থেকে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে এই প্রথম দেশে এলো এলপিজিবাজী একটি ট্যাংকার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মাঝেও।
‘এমটি বিডব্লিউইকে বোর্নহোম’ নামের ট্যাংকারটি ওমান থেকে ৩ হাজার ৮০০ টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে সীতাকুন্ডে পৌঁছে জ্বালানী খালাস করে এরই মধ্যে ফিরে গেছে।
মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ট্যাংকারটি ওমানের দুকম বন্দর থেকে যাত্রা করে প্রথমে শ্রীলঙ্কায় যায়। সেখানে আংশিক খালাসের পর সীতাকুণ্ডে এসে বাকি এলপিজি খালাস করে। গত শুক্রবার এলপিজি খালাস শেষে ট্যাংকারটি ফিরে যায়।
তবে তেল-গ্যাসবাহী দুটি ট্যাংকার এখনো পারস্য উপসাগরে আটকে রয়েছে। এই দুটি ট্যাংকারের একটি ‘এমটি লিব্রেথা’।
কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে জাহাজটি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আটকে আছে। অন্যটি ‘এমটি নরডিক পলুকস’, যা সৌদি আরবের রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে বাংলাদেশে আসার কথা ছিলো।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী লিব্রেথা ট্যাংকারটি কাতারের উপকূলের কাছে বহির্নোঙরে অবস্থান করছে। আর এমটি নরডিক পলুকস ট্যাংকারটিও সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ দুটি চলাচলের অনুমতি চেয়ে এরই মধ্যে ইরানকে কূটনৈতিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে অনুমতি মিললে জাহাজ দুটি শীঘ্রই দেশের পথে যাত্রা করবে।