২. বকেয়া বেতন: কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি আগের কোনো বকেয়া বেতন পেয়ে থাকেন, সেখানেও কর দিতে হবে।
৩. বিশেষ বেতন: অতিরিক্ত দায়িত্ব বা বিশেষ কাজের জন্য বেতন মেলে।
৪. বাড়িভাড়া: বাড়ি ভাড়ার টাকা করের আওতাযুক্ত। এটি আয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে।
৫. চিকিৎসা ভাতা: প্রতি মাসে বেতনের সঙ্গে চিকিৎসা ভাতা পান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
৬. যাতায়াত ভাতা: চিকিৎসা ভাতার মতো প্রতি মাসের বেতনের সঙ্গে যাতায়াত ভাতাও পান তাঁরা।
৭. উৎসব ভাতা: ঈদ, দুর্গাপূজার মতো নানা ধরনের উৎসব উপলক্ষে ভাতার অর্থও করের আওতায় আসবে।
৮. সহায়ক কর্মীর ভাতা: ড্রাইভার, দারোয়ান বা অন্য কর্মী রাখার জন্য সরকার থেকে যদি ভাতা দেওয়া হয়, তাতেও কর দিতে হবে।
৯. ছুটি ভাতা: কোনো সরকারি চাকরিজীবীর অব্যবহৃত প্রাপ্য ছুটি নগদায়ন করলে টাকা পান। এ ধরনের আয়েও কর বসবে।
১০. সম্মানী ও পুরস্কার: বিশেষ কাজের জন্য প্রাপ্ত সম্মানী বা পুরস্কার অর্থ।
১১. ওভারটাইম ভাতা: অফিসের জন্য বাড়তি সময় কাজ করলে ওভারটাইম ভাতা পান সরকারি চাকরিজীবীরা।
১২. বৈশাখী ভাতা: গত কয়েক বছর ধরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতা পেয়ে আসছেন। এই ভাতাও করের আওতায় পড়বে।
১৩. ভবিষ্য তহবিলে সুদ: সরকারি ভবিষ্য তহবিলে জমা টাকার ওপর প্রাপ্ত সুদের ওপর কর বসে।
১৪. লাম্পগ্র্যান্ট: এককালীন প্রদত্ত ভাতার ওপর কর বসবে।
১৫. গ্র্যাচুইটি: এটি অবসর বা চাকরি ছাড়ার সময় প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধা, যা করযুক্ত।
বেসরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে ১১ ধরনের আয়ে কর দিতে হবে। এগুলো হলো:
১. বেতন: বেসরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন বা নির্ধারিত পারিশ্রমিক।
২. ভাতা: করযোগ্য ভাতার মধ্যে পড়বে যাতায়াত, চিকিৎসাসহ অন্যান্য ভাতা।
৩. অগ্রিম বা বকেয়া বেতন: অগ্রিম বেতন বা জমে থাকা বেতন পেলেও কর দিতে হবে।
৪. আনুতোষিক, অ্যানুইটি, পেনশন: চাকরি শেষে প্রাপ্ত অর্থ বা সুবিধা।
৫. পারকুইজিট: চাকরির অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা (যেমন বিনা খরচে বাসা, বিদ্যুৎ, ফোন বিল ইত্যাদি)।
৬. বেতন বা মজুরির পরিবর্তে প্রাপ্ত অর্থ: যেকোনো বিকল্প আর্থিক সুবিধা।
৭. কর্মচারী শেয়ার স্কিম থেকে আয়: অনেক বেসরকারি চাকরিজীবী নিজের কোম্পানির শেয়ার পান। সেই শেয়ার বোনাস বা ডিভিডেন্ড আকারে প্রাপ্ত অর্থ।
৮. আবাসন সুবিধা: অফিস থেকে বিনা খরচে বা কম খরচে বাড়ি সুবিধা।
৯. মোটরগাড়ি সুবিধা: অফিস থেকে গাড়ি ব্যবহার সুবিধার জন্য যে টাকা দেওয়া হয়, তা করের আওতায় থাকবে।
১০. নিয়োগকর্তার দেওয়া অন্য সুবিধা: এই সুবিধার মধ্যে আছে, ক্লাব সদস্যপদ, ট্যুর সুবিধা ইত্যাদি। এ জন্য যদি আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়।
১১. স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তার চাঁদা: প্রভিডেন্ট ফান্ডে কোম্পানির দেওয়া অংশও করের আওতায় থাকবে।