রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এর পর থেকে ভোটের সার্বিক পরিস্থিত সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবন থেকে ইসির মনিটরিং শুরু হয়েছে।
ভোট মনিটরিং করছেন- নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা ও মোঃ আলমগীর।
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত দুই মহানগরে ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসেনি।
প্রায় আট লাখ ভোটারের দুই সিটিতে দুই হাজার ৫০০টির মতো ভোটকক্ষে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোট চলবে বিকেল চার পর্যন্ত।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সিটিতে তিন হাজার ২০৪টি এবং রাজশাহীতে দুই হাজার ৫০০টি ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। এক হাজার ৭৪৭টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে সিলেট সিটি এবং এক হাজার ৪৬৩টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে রাজশাহী সিটি নির্বাচন ভবন পর্যবেক্ষণ করছে কমিশন।
সিলেট সিটিতে ১৯০টি ভোটকেন্দ্রের এক হাজার ৩৬৭টি ভোটকক্ষে চার লাখ ৪৭ হাজার ৭৫৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ জন, নারী দুই লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৭ জন এবং ছয়জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার।
সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে এবার মেয়র পদে প্রার্থী আট জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃআনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী মোঃ জরিহুল আলম (গোলাপ ফুল)। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আব্দুল হানিফ, মোঃ ছালাহ উদ্দিন রিমন, মোঃ শাহ জাহান মিয়া এবং মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা।
সিলেটে ৪২টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ২৯৪ জন। ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্যদিকে রাজশাহী সিটিতে ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রের এক হাজার ১৫৩টি ভোট কক্ষে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন পুরুষ ভোটার। নারী ভোটার এক লাখ ৮০ হাজার ৮০৯ জন এবং ছয়জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। রাজশাহীর সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, থাকছে সিসি ক্যামেরা।
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে এবার মেয়র পদে প্রার্থী চার জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুরশিদ আলম (হাতপাখা) ও জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার (গোলাপ ফুল)। বরিশাল সিটি নির্বাচনের পর ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করেছেন।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।