আধুনিক যুগে এসেও বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে আধুনিকতার ছোঁয়া পূর্ণতা পাচ্ছেনা। দুঃখ জনক হলেও সত্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানির ওয়েব সাইটে প্রবেশ করা যায়না।
আশ্চর্য জনক হলে সত্য অনেক সময় ডিএসইর এবং সিএসইর ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে তারতম্যময় তথ্য প্রকাশ হয়ে থাকে।
ডিএসইর এবং সিএসইর ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে অনেক গুলোর ওয়েবসাইটে যে কোম্পানির তথ্য দেয়া আছে, তা অনেকদিন আপডেট করা হয়না। বিশেষ করে ফোন নাম্বার ও অফিসের ঠিকানা আপডেট থাকেনা।
কোন কোম্পানির লভ্যাংশ ও ইপিএস ঘোষণা হবার ১ ঘন্টার মধ্যে প্রতিটি কোম্পানিকে বাধ্য করা হোক, যেন তাদের লভ্যাংশ ও ইপিএস কেন্দ্রিক ঘোষণাটি তাদের ওয়েবসাইটে সহজ ভাবে দেয়া হয়। যাতে যে কেউ ওয়েব সাইটে ডুকলেই খবরটি দেখতে পারে। নিয়ম থাকলেও যৎসামান্য কোম্পানি মিটিং হবার পরে তাদের ওয়েবসাইটে লভ্যাংশ বা প্রান্তিক ইপিএসের খবর আপডেট করে। যে কারণে একটি কোম্পানি কি ঘোষণা করল তা নিজের চোখে দেখতে পারেন না বিনিয়োগকারীরা।
বিনিয়োগকারীগন বাধ্য হয় বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে খবর দেখতে। সেখানে আরও সমস্যাতে পরেন বিনিয়োগকারীরা। কেননা অনেক অনলাইন পোর্টালে ভুল ভাবে খবর উপস্থাপন হবার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য অনেক কোম্পানির ওয়েবসাইটে ফ্যাক্টরির ঠিকানা, অফিসের ফোন নাম্বার ও থাকেনা। আবার অনেক কোম্পানির নাম্বার দেয়া থাকলে ও সেটি বন্ধ থাকে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে যতগুলো কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে সব কোম্পানিগুলি সরজমিনে পরিদর্শন করে কোম্পানিগুলি উৎপাদনে আছে কিনা, কোম্পানির ঠিকানা অনুযায়ী প্রধান কার্যালয় আছে কিনা সেগুলি পরিদর্শন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে খবরগুলি প্রকাশের জন্যে বিনিয়োগকারীগন অনুরোধ করছেন।
সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ওয়েবসাইট আপডেট রাখা সহ নানাবিধ সমস্যা নিয়ে কাজ করার জন্যে অনুরোধ করে থাকেন কর্তৃপক্ষের কাছে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কথা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়না।