পরপর দুই টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। এই সিরিজের আগে ২০২৪ সালে পাকিস্তানে গিয়ে স্বাগতিকদের টেস্টে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
এবার মিরপুরে হওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে ফুরফুরে মেজাকেই সিলেটে যায় বাংলাদেশ। সেখানে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হলেও পাকিস্তানকে থামিয়ে দেয় ২৩২ রানে।
৪৬ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৯০ রান তোলে। তাতে জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান। টেস্ট ইতিহাসেই চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়ার সর্বোচ্চ রেকর্ডটা ৪১৮ রানের। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অর্থাৎ পাকিস্তানকে জিততে হলে নতুন কীর্তিই গড়তে হবে।
রান তাড়ায় নেমে ১৬২ রানেই ৫ উইকেট হারালেও মোহাম্মদ রিজওয়ানের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ম্যাচে টিকে থাকে পাকিস্তান। টেস্টের চতুর্থ দিন শেষ করে ৭ উইকেটে ৩১৬ রানে। তাতে আজ টেস্টের শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২১ রান।
ক্রমেই সেই চাহিদা কমিয়ে ৭৯ রানে নামিয়ে নতুন ইতিহাস লেখার পথেই ছিল দলটি। তবে সেটা আর করতে দেননি বাংলাদেশি বোলাররা। পাকিস্তানকে ৩৫৮ রানেই থামিয়ে দেন তাইজুল-শরীফুলরা। একইসঙ্গে ৭৮ রানের জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে আটকে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন তাইজুল। এছাড়া নাহিদ রানা দুটি, শরীফুল ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।