অর্থ লিপি

২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে অর্থঋণ মামলার সমঝোতার চেষ্টায় এক্সিম ব্যাংক

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

ব্যাংক এশিয়া পিএলসির কাছ থেকে তারল্য সংকটের কারণে প্রায় ৩৮৯ কোটি টাকা ধার নিয়েছিল তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি।

নির্ধারিত সময়ে ধারের টাকা পরিশোধ না করায় দুই ব্যাংকের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং ব্যাংক এশিয়া অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকটির সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছে এক্সিম ব্যাংক।

গত আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাঠানো চিঠির জবাবে তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।

তথ্যানুসারে, সম্প্রতিএক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ক্রোকের নির্দেশশিরোনামে একটি সংবাদ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই থেকে পাঠানো চিঠির জবাবে ব্যাংকটি জানিয়েছে, আন্তঃব্যাংক প্লেসমেন্টের আওতায় ব্যাংক এশিয়া ঋণ দিয়েছিল। তবে অর্থ আদায়ে তারা আদালতের আশ্রয় নেয়, যা স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে। বিষয়টি নিয়ে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি প্রতিষ্ঠানের ওপর কোনো আর্থিক প্রভাব ফেলবে না।

উল্লেখ্য, এক বছর আগে ব্যাংক এশিয়ার কাছ থেকে ৩৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৪ টাকার ঋণ নেয় এক্সিম ব্যাংক। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও এক্সিম ব্যাংক সেই টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। ওই ঋণ আদায়ের জন্য ঢাকার নম্বর অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করে ব্যাংক এশিয়া। আগস্ট বিচারপতি মুজাহিদুর রহমান এক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অস্থায়ীভাবে ১৫ দিনের জন্য জব্দের আদেশ দেন। ২১ আগস্ট আদালতে এক্সিম ব্যাংকের জবাব দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে এক্সিম ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে ব্যাংক এশিয়া ওই অর্থ এক্সিম ব্যাংককে ধার দিয়েছিল। ছয় মাসের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর আমরা তাদের মেয়াদ তিন মাস বাড়ানোরঅনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা সেটি না করে মামলা করে দিয়েছে। ধরনের মামলার কোনো অর্থ হয় না। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেই আমাদের ওই অর্থ এখনই ফেরত না দেয়ার জন্য বলেছে। ব্যাংক এশিয়ার মামলার বিষয়ে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।

এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি ২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হাজার কোটি পরিশোধিত মূলধন হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে হাজার ৮৮১কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪। এর ৩২.৪৪শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮.৩৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী .৬৫ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি৩৮.৫৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।