আজ সোমবার (১৫ জুলাই),সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক সামান্য বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। সেই সাথে গতদিনের তুলনায় বেড়েছে লেনদেন।
আজ ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২.১৭ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫৪৮৪.৯৬ পয়েন্টে।এছাড়াও, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ০.৭২ পয়েন্ট বেড়ে ১২০৩.৪৩ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৭.১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৯৪৪.২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

আজ ডিএসইতে ৬৬২.২৪ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৬২২.২৫ কোটি টাকা।
ডিএসইতে মোট ৩৯৭ টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৪০ টি কোম্পানির, দর কমেছে ১৯১ কোম্পানির। আর ৬৬ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজ সূচক ও লেনদেন বাড়লেও বাজার ছিল নিষ্প্রাণ,কেননা , সূচক ও লেনদেন বাড়লেও বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০/২০ পয়সা।যে কারণে উপকৃত হচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা।তবে আজ যারা শুরুতে বিক্রি করেছে তারা ফুরফুরে মেজাজে আছেন।
আজকের বাজারে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খাতের শেয়ারের মুভমেন্ট পরিলক্ষিত হয়। দিনের শুরুতে যে গুলির চাহিদা ছিল দেখা গিয়েছে, শেষের দিকে সেইসব শেয়ারের কোন চাহিদাই ছিলনা।আজ দিনশেষে দাম বাড়ার শীর্ষে ৯ টি খাতের শেয়ার ছিল,তবে কোন একক কোন খাতের আধিপত্য ছিলনা।
বেশ কিছু হাউজ ঘুরে দেখা গেল লেনদেন বাড়লেও হাউজের লোক বা বিনিয়োগকারীদের তেমন কোন উৎফুল্লতা লক্ষ্য করা যায়নি। বেশ কিছু বিনিয়োগকারীদের বক্তব্য বাজারে লেনদেন বাড়ছে তাতে আমাদের কি লাভ? আমাদের শেয়ারের দাম বেড়েছে ১০/২০ পয়সা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি হাউজের নির্বাহি কর্মকর্তা বললেন, যে বাজারে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার কিনেও বিনিয়োকারীদের আফসোস করতে হয়, সেই বাজার নিয়ে মানুষ কিভাবে আশাবাদী হতে পারে? তার মন্তব্য বাজারকে তার স্বাভাবিক গতিতে ছেড়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোন অনিয়ম না হয়। বাজারে শুধু অনিয়ম গুলো রুখে দিতে পারলে বাজারের এমন খারাপ অবস্থা হতো না।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন মুদ্রানীতি পাশ হয়ে গেলে হয়ত আগামী সপ্তাহে বাজারে গতি আসবে।