শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডের(NTC) প্রস্তাবিত মূলধন বাড়াতে শেয়ার ইস্যুর সাবস্ক্রিপশন শুরু হয়েছে।
১৯ জুন থেকে শুরু হওয়া এ সাবস্ক্রিপশন চলবে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, গত বছরের ১৩ জুলাই কোম্পানিটির বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে নতুন শেয়ার ইস্যু করে প্রস্তাবিত মূলধন বাড়ানোর সাবস্ক্রিপশন স্থগিত করা হয়।
সম্প্রতি কোম্পানিটির প্রস্তাবিত মূলধন বাড়ানোর জন্য হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। এ-সংক্রান্ত বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের একটি চিঠি পেয়েছে ন্যাশনাল টি।
শেয়ার ইস্যু পরিকল্পনা অনুসারে, বাংলাদেশ সরকার, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও সাধারণ বীমা করপোরেশনের অনুকূলে ১ কোটি ২৪ লাখ ৮০ হাজার ১২০টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।
এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নতুন করে ৪ দশমিক ৪৩টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। অন্য পরিচালকদের অনুকূলে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৮২৬টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।
এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নতুন ৩.২১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৯৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নতুন ২.৮৫টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সব মিলিয়ে কোম্পানিটি মোট ২ কোটি ৩৪ লাখ শেয়ার ইস্যু করবে।
বিদ্যমান প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে নতুন ৩.৫৫টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৩৪ লাখ শেয়ার ১১৯ টাকা ৫৩ পয়সায় ইস্যু করা হবে।
শেয়ারপ্রতি প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৯.৫৩ পয়সা। শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটির মূলধন ২৭৯ কোটি ৭০ লাখ ২ হাজার টাকা বাড়ানো হবে। কারখানার উন্নয়ন, চলতি মূলধন খাতে অর্থায়ন ও ব্যাংক ঋণ পরিশোধে এ প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যু করা হবে।
১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া ন্যাশনাল টির অনুমোদিত মূলধন ২৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
পুঞ্জীভূত লোকসান ৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারসংখ্যা ৬৬ লাখ। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৫.২৬ শতাংশ শেয়ার।
এছাড়া সরকারের কাছে ৪.৩৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪.৭৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৫.৬৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।