দেশের বাজারে শিগগিরই জ্বালানি তেলের দাম কমবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ওখনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
গতকাল মঙ্গলবার(৫ মার্চ) তিনি জানান, জ্বালানি তেলের দাম কমানোর প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সায় মিলেছে। চলতি সপ্তাহেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
চলতি মার্চ মাসের প্রথম দিনই থেকেই দাম সমন্বয়ের নির্দেশিকা প্রকাশ করে জ্বালানি ওখনিজ সম্পদ বিভাগ। সেই নির্দেশিকায় চলতি মাস থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানির দাম পুনর্নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে গতকাল প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, নতুন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে দাম সমন্বয় করতে গিয়ে বাংলাদেশে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কিছুটা কমবে।
তিনি বলেন, জ্বালানির দাম সমন্বয়ের ফলে দাম কিছুটা সাশ্রয় হবে। সামনের মাসে বিশ্ববাজারে দাম কমলে তখন আরও কমানো যাবে বলেও জানান তিনি।
দাম কতটা কমতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রস্তাব অনুমোদন হওয়ার আগে তো বলতে পারছি না। আমরা অপেক্ষায় আছি যেন, মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্য তেল দিতে পারি। সমন্বয়ের ফলে সব ধরনের তেলের দামই কমবে বলে আশা করছি।
উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৩০ আগস্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটারডিজেল ও কেরোসিন ১০৯ টাকা, পেট্রোল ১২৫ টাকা এবং অকটেন ১৩০ টাকায় বিক্রিহচ্ছে।
জ্বালানি তেলের দাম কমলে, ভোক্তারা কতটা উপকৃত হবে এটাই আসল বিষয় ,দেশে যে কোন জিনিসপত্রের দাম বাড়লে তাৎক্ষণিক দাম বেড়ে যায় ,তবে দাম কমলে দাম কমাতে গড়িমসি করে সংশ্লিষ্ট লোকজন।
উল্লেখ্য এর আগে কয়েকদফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন সেক্টরে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল ,এছাড়াও জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বিভিন্ন দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বেড়েছিল।এখন জ্বালানি তেলের দাম কমার ফলে ভোক্তারা কতটা উপকৃত হবে এটাই আসল বিষয়।