ফাস্টিং এর উপকারিতা
ধারাবাহিকভাবে অতিভোজনের কারণে দেহ ও মনে যেসব সমস্যা সৃষ্টি হয়, তা থেকে মুক্তি পেতে সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক ও কার্যকরী পদ্ধতি হচ্ছে ফাস্টিং (Fasting)। শক্তির জন্য এবংদেহের গ্রোথ ও রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান অপরিহার্য।
কিন্তু ধারাবাহিকঅতিরিক্ত পুষ্টি (প্রধানত অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট) আমাদের দেহ ও মনে নানা ধরনের রোগব্যাধি ও সমস্যা সৃষ্টি করে। এসব সমস্যা রিভার্স করতে ফাস্টিং এর চেয়ে ফলপ্রসূ আর কোন উপায় নেই। অথচ এর জন্য কোন টাকা পয়সাও লাগে না এবং তেমন কিছু করতেও হয়না। দেহটাকে সুস্থ করার/রাখার কী অসাধারণ সুযোগ!

নিম্নে ফাস্টিং এর কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা উল্লেখ করা হলো:
১. মেদভুঁড়ি বা স্থুলতা দূরীকরণ ও প্রতিরোধ।
২. ডায়াবেটিস (টাইপ–২), ফ্যাটি লিভার, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স রিভার্স কিম্বা প্রতিরোধ।
৩. উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ প্রতিরোধ ও রিভার্স।
৪. ক্রনিক ইনফ্লেমেশন ও অক্সিডেশন হ্রাস।
৫. ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৬. অটোফেজির মাধ্যমে ড্যামেজ কোষের বর্জ্য অপসারণ করে নতুন সতেজ কোষ তৈরি।
৭. হরমোনাল ইমব্যালেন্স দূরীকরণ।
৮. ব্রেইন হেলথ, মনোযোগিতা, মেমোরির উন্নতি এবং বিভিন্ন ব্রেইন সমস্যা প্রতিরোধ।
৯. গ্রোথ হরমোন বৃদ্ধি ও মাসল বিল্ড–আপ।
১০. মেটাবোলিক রেইট বৃদ্ধি এবং শারীরিক শক্তি বর্ধন।
১১. অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ।
১২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি।
১৩. ডাইজেশন সিস্টেম এর উন্নয়ন।
১৪. বিভিন্ন অটো–ইমিউন ডিজিজ প্রতিরোধ ও রিভার্স।
১৫. এলার্জি দূরীকরণ।
চলবে……