অর্থ লিপি

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে র্বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে (রেমিট্যান্সের) প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে।

তবে গ্রস রিজার্ভ এখনও ২৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করতে পারেনি। বর্তমানে গ্রস রিজার্ভ হাজার ৪৭৮ কোটি বা ২৪.৭৮ বিলিয়ন ডলার। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ জুন পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ হাজার ৪৭৮কোটি বা ২৪.৭৮ বিলিয়ন ডলার।

নিট রিজার্ভ হাজার ৯৫২ কোটি বা ১৯.৫২ বিলিয়নডলার। ১২ জুন পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৪.৫২ বিলিয়ন ডলার, নিট রিজার্ভ ছিল ১৯.২১বিলিয়ন।

এক সপ্তাহে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ২৬ কোটি ডলার এবং নিট রিজার্ভ বেড়েছে৩১.৮২ কোটি ডলার। চলতি মাসের মাসের শুরুতে জুন গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৪.২৩ বিলিয়নএবং নিট রিজার্ভ ছিল ১৮.৬২ বিলিয়ন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৩১৪ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২১.৫০বিলিয়ন ডলার। এরপর রিজার্ভ বাড়তে থাকে। ২০১৪১৫ অর্থবছরে বেড়ে হয় ২৫.০২বিলিয়ন ডলার, ২০১৫১৬ অর্থবছরে ৩০.৩৫ বিলিয়ন ডলার, ২০১৬১৭ অর্থবছরে৩৩.৬৭ বিলিয়ন ডলার, ২০১৭১৮ অর্থবছরে ৩২.৯৪ বিলিয়ন ডলার, ২০১৮১৯ অর্থবছরে ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার, ২০১৯২০ অর্থবছরে ৩৬. বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।তার পরের অর্থবছরে (২০২০২১) করোনার বছরে  রেকর্ড ৪৬.৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় রিজার্ভ।

২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ উঠেছিল হাজার ৮০০ কোটি ডলারে (৪৮ বিলিয়ন), যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড। কিন্তু সেটি চার মাসও টিকেনি। ফের নিচেনামতে থাকে ধীরে ধীরে। ২০২১২২ অর্থবছরে ৪১.৮২ বিলিয়ন ডলার এবং সর্বশেষ২০২২২৩ অর্থবছরে রিজার্ভ কমে ৩১ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।

রপ্তানি আয় কমার পরও আসন্ন কুরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেকর্ড পরিমাণে রেমিট্যান্সের কারণে ব্যাংকগুলোতে ডলারের প্রবাহ বেড়েছে। ঈদের আগে (জুন মাসের প্রথম) ১৪ দিনে ১৯ হাজার ৪৩২ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। অন্যদিকে রপ্তানি আয় আমদানি ব্যয় কমায় ডলারের খরচে একটি ভারসাম্য এসেছে। রেমিট্যান্সের অর্থ উবৃত্ত থেকেছে। যে কারণে ব্যাংকগুলোতে ডলারের প্রবাহ বেড়েছে।

কারণে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনেছে। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে নগদ টাকার জোগান দিয়েছে। ঈদের সময় গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে ব্যাংকগুলোর বাড়তি টাকার প্রয়োজন হয়। ফলে ডলার বিক্রি করে ব্যাংক টাকা নিয়ে সে চাহিদা মিটিয়েছে। ডলার কেনার কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শেষ দিকে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ বাবদ ১১৫ কোটি ডলার পাওয়া যেতে পারে। অর্থ পেলে রিজার্ভ আরও বেড়ে যাবে। 

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।