অর্থ লিপি

৫ জুন ২০২৬ শুক্রবার ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাকিস্তানে উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্য

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

পাকিস্তান ঐতিহ্যবাহী ফ্যান উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে ফেডারেল সরকার এ গতকাল বুধবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১ জুন থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় বিদ্যুৎ সংরক্ষণ নীতির অংশ হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ফ্যান উৎপাদন ও বিক্রির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শিগগির এ–সংক্রান্ত সরকারি সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ (এসআরও) জারি করা হবে।
৮০ ওয়াটের চেয়েও কম বিদ্যুৎ খরচ হয় শুধু এমন ফ্যান উৎপাদনের জন্য ন্যাশনাল এনার্জি এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন অথরিটিকে (এনইইসিএ) অনুমোদন দেওয়া দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল অথরিটিকে (পিএসকিউসিএ) দেশে ফ্যানের জাতীয় মান সংশোধন করার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্টার রেটিং ক্যাটাগরির প্রথম স্তরে থাকা ফ্যান এবং ৮০ ওয়াটের কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন ফ্যান দেশে উৎপাদন ও বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে। এসির ইনভার্টারসহ ফ্যানগুলো এই ক্যাগাটরির, এগুলো প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান উৎপাদনের জন্য পাকিস্তানের ফ্যান উৎপাদন শিল্পের প্রতিনিধিত্বকারী সমিতির সঙ্গে পরামর্শ করা হবে, যেন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বাল্বের মতোই এই শিল্পকেও উন্নত করা যায়।
ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখে প্রতিটি পরিবারকে কিস্তিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান দেওয়ার প্রস্তাবও বিবেচনা করা হচ্ছে।
পাকিস্তান ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানি টাকার দাম পড়তে পড়তে এখন ডলার প্রতি ২৬৫ রুপি দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ তলানিতে ঠেকেছে। ১৯৯৮ সালের পর থেকে এখন সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে রিজার্ভ। পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে সাধারণ মানুষ। আটা, ডাল, চাল, দুধ—সবকিছুরই দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এর অবস্থায় দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়ের চায়ের দামও আকাশছোঁয়া। রকেটের গতিতে বাড়ছে দাম। খোলাবাজারে দাম এখন ১ হাজার ৬০০ পাকিস্তানি রুপিতে পৌঁছেছে।
এমন পরিস্থিতিতে এবার ঐতিহ্যবাহী ফ্যান উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।