অর্থ লিপি

৩১ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে দেশে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

বাংলাদেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় তিন গুণ হয়েছে ২০২৩ সালে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুত কমায় গেল বছর ব্যয়বহুল প্রাকৃতিক গ্যাস, ফার্নেস অয়েল ও ডিজেল আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়। গতকাল বুধবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) প্রতিদিনের হিসাব অনুসারে, ২০২২ সালে কয়লা দিয়ে উৎপাদন হয় ৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ। আর ২০২৩ সালে ওই উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ২১ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নতুন নতুন ইউনিট চালু হওয়ায় এ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার অংশীদারিত্ব আরও বাড়বে। তবে গ্যাসের ওপর নির্ভরতা থাকবে এবং তরল জ্বালানির ব্যবহার কমতে পারে।’

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে ২০২২ সালে কয়লার অংশ ছিল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে বেড়ে হয় ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ ২০২৩ সালে ৫৫ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত হয়, যা ২০২২ সালে ছিল ৫১ শতাংশ। তবে গেল বছর প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় ছিল কম। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে গত ১০ বছরে প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ গড়ে প্রায় ৬৬ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বাড়ায় বাংলাদেশ সরকার গ্যাস ব্যবহারে সংকোচন নীতি গ্রহণ করে। এ ছাড়া দেশে গ্যাসের উৎপাদনও গত বছর কম ছিল।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার বাড়ায় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের মতো তরল জ্বালানিতে সরকারের ব্যয় কমেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০২২ সালে ওই দুই জ্বালানি তেলের অংশ ছিল ২৯ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে ২০ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদ্যুতের সামগ্রিক ঘাটতি প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা চাহিদার ২ দশমিক ৮ শতাংশ হয়। তবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ায় বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ঘাটতি কমতে শুরু করে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ১১ মাসে দেশে প্রতি ইউনিট (কিলোওয়াট-ঘণ্টা) বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে খরচ হয় ৫ টাকা ২৩ পয়সা, যা ২০২২ সালের গড় খরচের তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ কম।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।