অর্থ লিপি

২৬ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার ১০ কার্তিক ১৪৩৩

স্কয়ার ফার্মার ১৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা, ব্যবসা সম্প্রসারণে ৭২৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ অনুমোদন

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের অর্থবছরের তুলনায় বেড়েছে। ব্যবসার সম্প্রসারণ ও উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ৭২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদনও দিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ।

কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়।

লভ্যাংশ ও এজিএমের তথ্য

কোম্পানিটির সুপারিশ অনুযায়ী, সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পাবেন। অর্থাৎ, প্রতিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ১৩ টাকা নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

কোম্পানিটির ৬০তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণের রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ নভেম্বর। তবে রেকর্ড তারিখের সালটি কোম্পানির মূল ঘোষণার সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শেয়ারপ্রতি আয় ও সম্পদমূল্য বেড়েছে

কোম্পানিটির সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ টাকা ২৪ পয়সা। আগের অর্থবছরে এ আয় ছিল ২৭ টাকা ৪ পয়সা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৪ টাকা ২০ পয়সা বা প্রায় ১৫.৫৩ শতাংশ।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭৮ টাকা ৯৯ পয়সা। আগের অর্থবছর শেষে এ পরিমাণ ছিল ১৫৭ টাকা ৮৮ পয়সা। সে হিসাবে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়েছে ২১ টাকা ১১ পয়সা।

সম্প্রসারণে ৭২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ

ব্যবসার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ৭২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।

এই অর্থের মধ্যে রয়েছে ব্যবসা আধুনিকায়ন, পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ (বিএমআরই), মূলধনী যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং জমি কেনার ব্যয়। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে কোম্পানিটির উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়ক হতে পারে।

বিইএফটিএনের মাধ্যমে লভ্যাংশ পেতে তথ্য হালনাগাদের অনুরোধ

শেয়ারহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি লভ্যাংশ পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের (বিইএফটিএন) মাধ্যমে অর্থ বিতরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ জন্য বিনিয়োগকারীদের নিজ নিজ বিও (BO) হিসাবের বিপরীতে নিবন্ধিত ব্যাংক হিসাব, ব্যাংকের রাউটিং নম্বর এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে কোম্পানিটি।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।