অর্থ লিপি

৩০ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর পর পাঁচ মাসে ৭,৯৯৫ জন গ্রাহক হয়েছেন

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

দেশে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালুর পর প্রথম পাঁচ মাসে ৪টি আলাদা কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত মোট ১৭,৯৯৫ জন গ্রাহক হয়েছেন। দেশ-বিদেশ মিলিয়ে তাঁদের মোট চাঁদা জমা হয়েছে ২৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী প্রথম এক মাসে ১২,৮৮৯ জন গ্রাহক চাঁদা পরিশোধ করেছিলেন। মোট পাঁচ মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দ্বিতীয় মাসে গ্রাহক বাড়ে ১,৮৩১ জন ও তৃতীয় মাসে বাড়ে ১,১৩৪ জন। চতুর্থ ও পঞ্চম মাসে এক হাজারের কিছু বেশি গ্রাহক বেড়েছে।

দেশে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু হওয়ার পর প্রথম মাসে (৩০ দিনে) যে পরিমাণ গ্রাহক সাড়া দিয়েছিলেন, পরের চার মাসে তার অর্ধেকও হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৭ আগস্ট ২০২৩ সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিন থেকেই তা সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রথম দিন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হতে ৮ হাজার মানুষ অনলাইনে নিবন্ধন করলেও পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে চাঁদা দিয়েছিলেন ১,৭০০ জন।

চার শ্রেণির জনগোষ্ঠীর জন্য চার ধরনের পেনশন স্কিম রয়েছে। এগুলোর নাম হচ্ছে প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা ও প্রবাস। বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য ‘প্রগতি’, স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য ‘সুরক্ষা’, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘প্রবাস’ এবং দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ‘সমতা’ স্কিম এই চার ধরনের পেনশন স্কিম রয়েছে।

সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চার স্কিমের মধ্যে প্রগতিতে ৭,৫০৬ জনের ১৩ কোটি ৩১ লাখ, সুরক্ষায় ৭,৪৭১ জনের ৮ কোটি ৬৭ লাখ, প্রবাসে ৫০৭ জনের ২ কোটি ৯ লাখ ৪৫ হাজার এবং সমতায় ২,৫০১ জনের মাধ্যমে ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা চাঁদা জমা পড়েছে।

চাঁদা দিয়ে পেনশন-ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেন ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ। দেশের অন্তত ১০ কোটি মানুষ পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আসবেন, এমন প্রত্যাশা সরকারের রয়েছে। বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনা এবং নিম্ন আয় ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত সমাজের ৮৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই জাতীয় পেনশন পেনশন স্কিম চালু করা হয় বলে কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই বলে আসছে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শুরুর দিকে শুধু সোনালী ব্যাংক ছিল পেনশন স্কিমে নিবন্ধনের সহায়তাকারী। পরে অগ্রণী ব্যাংককেও এ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে দি সিটি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে পেনশন কর্তৃপক্ষের আলোচনা হচ্ছে। এদিকে সংরক্ষিত এলাকা সচিবালয় থেকে বেরিয়ে পেনশন কর্তৃপক্ষ নতুন অফিস নিয়েছে রাজধানীর কাকরাইলে।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।