অর্থ লিপি

১৫ জুন ২০২৬ সোমবার ১ আষাঢ় ১৪৩৩

নীরব ঘাতক হাড়ক্ষয়, বাঁচার উপায় কি : ৭ম ও শেষ পর্ব

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধের কার্যকরী উপায় :

আশার কথা হল, শতভাগ সম্ভব না হলেও হাড়ক্ষয় অনেকাংশেই প্রতিরোধ করা যায়।অনেকেই নব্বই বছরে মেরুদণ্ড সোজা করে জোরেশোরে হাঁটতে পারেন। নিম্নোক্ত উপায় মেনে চলুন, হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ করুন :

. ক্যালসিয়াম সাপ্লাই : প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খানপালংশাক, লাল শাক, ব্রুকলি, কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ, ইলিশ মাছ, কালিজিরা, কাঠবাদাম, টক দই, চিজ, টফু ইত্যাদি।

. ভিটামিন ডি : তৈলাক্ত মাছ, ডিম, কলিজা খান। প্রতিদিন খালি গায়ে ৩০ মিনিট রোদেথাকুন। ভিটামিন ডি না থাকলে ক্যালসিয়াম খেয়ে লাভ নেই।

. এক্সারসাইজ : স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং ওয়েটবিয়ারিং উভয় প্রকারের এক্সারসাইজ হাড়ের স্ট্রেন্থবৃদ্ধি করেএটা রিসার্চে প্রমাণিত।

. পর্যাপ্ত প্রোটিন : হাড়ের একতৃতীয়াংশ অর্গানিক পদার্থ, যার প্রধান প্রোটিন। প্রোটিন কমখেলে ক্যালসিয়াম এবসর্পশন কম হয়। উন্নত মানের প্রোটিন খানমাছ, মাংস ডিম।

. ভিটামিন সি : ভিটামিন সি নতুন বোন সেল তৈরিতে উদ্দীপনা জাগায় এবং ইনফ্লেমেশনকমায়। সাইট্রাস ফল শাকসবজীতে পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন সি আছে।

. এসিড/বেইস ব্যালেন্স : গ্রেইন খাওয়া কমান। মাছমাংসের সাথে প্রচুর শাকসবজি খান।প্রতিদিন প্রকারের ফল খান। হরেকরকম বাদাম খান।

. ক্যালসিয়ামফসফরাস ব্যালেন্স : হাড়ে প্রচুর ফসফেট থাকে, তাই আমাদেরফসফরাসযুক্ত খাবারও খেতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফসফরাস থেকে ক্যালসিয়ামগ্রহণ যেন বেশি হয়।

. টক্সিন প্রতিরোধ : তামাক, এলকোহল, প্রসেসড ফুড, কোল্ড ড্রিংকস, জুস, ইন্ডাস্ট্রিয়ালতেল পরিহার করুন।

. হেলথি ওয়েট : ওভারওয়েট কিম্বা আন্ডারওয়েট কোনটাই হাড়ের জন্য ভাল নয়। সবসময়হেলথি ওয়েট মেইনটেইন করুন।

১০.  জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ওমেগা : ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন ডি একটিভ করে এবংজিংক বোন সেল গঠনে হেল্প করে। ওমেগা হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

১১. বিবিধ রোগ নিয়ন্ত্রণ : ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, IBS, পরিপাক সমস্যা, লিভার সমস্যা, কিডনি সমস্যা, থাইরয়েড সমস্যা, প্যারাথাইরয়েড সমস্যা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করুন।

১২. কেমিক্যাল ঔষধ নিয়ন্ত্রণ : গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ, এন্টিইনফ্লেমেটারি ড্রাগস, কতিপয়প্রেসারের ঔষধ, এজমার ঔষধ, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ, আর্থাইট্রিস এর ঔষধআরওঅনেক ঔষধ দ্রুত হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ী। এগুলো নিয়ন্ত্রণ/পরিহার করুন।

টেবলেট, সিরাপ, থেরাপি, সার্জারি, সাপ্লিমেন্ট, হরলিকস, মলম, তেল মালিশএসব দিয়েহাড়ের রক্ষা হবে না। সময় থাকতে হাড়ের যত্ন নিন, আজীবন মেরুদণ্ড সোজা করে চলুন।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।