বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে গতকাল সোমবার পর্যন্ত চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী দলের আবেদনপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত প্রথম দিনেই আবেদনপত্র সংগ্রহ করেন। মনোনয়ন চেয়ে আবেদনটি পূরণের পর গতকাল বিকেলে তাঁর পক্ষে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নয়জন কাউন্সিলর, সেটি ঢাকায় দলীয় সভাপতির কার্যালয়ে জমা দেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বোন আমেনা বেগমের ছোট ছেলে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ। তিনি বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছোট ভাই এবং বরিশালের বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর ছোট চাচা।
আবুল খায়ের আবদুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আবেদন ফরম জমা দিয়েছেন। দল তাঁকে মনোনয়ন দিলে দল-মত নির্বিশেষে নগরের সর্বস্তরের মানুষের বিপুল সাড়া ও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। তিনি বলেন, একটি এলাকার মানুষের সেবা ও উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের যে যোগ্যতা, গুণাবলি থাকা উচিত; বরিশালে সেটা অনুপস্থিত। বরিশাল নগরের মানুষের যে উন্নয়ন, সেবা পাওয়ার কথা ছিল, তা তাঁরা পাননি। এ কারণে তিনি মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন।
বর্তমান মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বর্তমানে স্ত্রী, সন্তানসহ ভারতের আজমির শরিফ আছেন। তাঁর পক্ষে গতকাল সোমবার দলীয় আবেদনপত্র সংগ্রহ করেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোঃ ইউনুসসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেন, ‘মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে আমরা দলীয় আবেদন সংগ্রহ করেছি। শিগগিরই তা পূরণ করে জমা দেওয়া হবে।’
এদিকে বরিশাল নগর ও জেলা আওয়ামী লীগ বর্তমান মেয়র সাদিক আবুদল্লাহকে একক প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে প্রস্তাব করবে। এ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, ‘মহানগর আওয়ামী লীগ এখানে সাদিক আবদুল্লাহকে একক প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করবে। আমরা মনে করি দল ও স্থানীয় স্বার্থে এখানে মেয়র হিসেবে সাদিক আবদুল্লাহর বিকল্প নেই।’