অর্থ লিপি

৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

‘টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই নিবন্ধন কূটনৈতিকভাবে সুরাহা না হলে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

গত রোববার (২৫শে ফেব্রুয়ারি) ‘টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই নিবন্ধন বিতর্ক: বাংলাদেশের করণীয়’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বিশেষজ্ঞরা কথা বলেন, টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। প্রথমে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে। তাতে কাজ না হলে ভারতের আদালতে আপিল এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিরোধ নিষ্পত্তি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও অনেকে অংশগ্রহণ করেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই নিবন্ধন বিষয়ে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। আলোচনা পর্বে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই নিবন্ধনের জন্য আবেদনকারী হিসেবে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক এই শাড়ি উৎপাদনের ইতিহাস, উৎপাদন ও বিপণন অঞ্চলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন…

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বত্ব পেতে আবেদন জেলা প্রশাসনের

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। তিনি জিআই পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে ভারতের নিবন্ধন এবং বাংলাদেশের করণীয় বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করেন। তিনি জানান, শিগগিরই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে একটি লিগ্যাল এক্সপার্ট প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান জিআইয়ের ক্ষেত্রে সরকারকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ যেহেতু লিসবন এগ্রিমেন্টের সদস্যভুক্ত দেশ নয়, সেহেতু বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থার আরবিট্রেশন মেডিয়েশন সেন্টারের মাধ্যমে এ বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব না।

সাপোর্ট টু সাসটেইনবেল গ্র্যাজুয়েশন প্রজেক্টের (এসএসজিপি) উপদেষ্টা শরিফা খান আপত্তির বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো এবং দেশটির হাইকোর্ট বরাবর আপিলের পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে বিকল্প সব উপায়ে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ ড. মোস্তফা আবিদ খান বলেন, তিনটি পদ্ধতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। প্রথমত, কূটনৈতিকভাবে ভারতের সঙ্গে বিষয়টি সমাধান করা; দ্বিতীয়ত, আপিলের জন্য ডব্লিউটিওতে আবেদন করা এবং তৃতীয়ত, টাঙ্গাইল শাড়ি নিবন্ধনের জন্য বাংলাদেশ থেকে ভারতে আবেদন করা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আলম মোস্তফা ডব্লিউটিওর ডিসপিউট সেটলমেন্ট বডিতে আবেদন করার কথা বলেন। একই মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও উইংয়ের প্রতিনিধি মাসুকুর রহমান শিকদার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভারতের আদালতে আপিল করার কথা বলেন।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।