বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সভাপতিত্ব করেন সভাপতি, তাঁর পাশে থাকেন সহসভাপতিরা। দীর্ঘদিনের এই রেওয়াজ ভাঙলেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।
তাঁকে ছাড়াই গতকাল মঙ্গলবার (৮ই আগস্ট) সংগঠনটির ৪০তম এজিএম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, পর্ষদের সাতজন সহসভাপতির মধ্যে তিনজন অনুপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে গতকাল দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এজিএমে সভাপতি ফারুক হাসানের সভাপতিত্ব করার কথা ছিল। তবে হঠাৎ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি সভায় আসবেন না বলে জানান।
তখন তাঁর পরিবর্তে সভাপতিত্ব করেন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এস এম মান্নান। উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, খন্দকার রফিকুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম চৌধুরী। প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি নাছির উদ্দিন ও মিরান আলী সভায় অনুপস্থিত ছিলেন।
সভাপতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে এজিএমে অনুপস্থিত থাকলেও বিজিএমইএর একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান পর্ষদের মেয়াদ শেষ হবে অক্টোবরে। সেই হিসেবে জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন বোর্ড ও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার বাধ্যবাধকতা ছিল।
সভাপতি কাজগুলো করেননি। এমনকি নতুন করে মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা করেননি। এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন নিয়ে সদস্যদের কড়া সমালোচনার মুখে যাতে পড়তে না হয়, সে জন্য সভাপতি এজিএমে আসেননি।
যা-ই হোক, এজিএমে নির্বাচনের প্রসঙ্গটি তোলেন পরিচালক ফয়সাল সামাদ। তিনি বিজিএমইএর নির্বাচনকালীন একটি জোট ফোরামের প্যানেল লিডার। ফয়সাল সামাদ বিজিএমইএর পরবর্তী মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন নিয়ে বর্তমানে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, সেটির সমাধান চেয়ে বক্তব্য দেন।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।