অর্থ লিপি

১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকতে করণীয়

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সঠিকভাবে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারলে এবং কতিপয় জীবনধারা বজায় রেখে করতে পারলে আমৃত্যু সুস্থ থাকা সম্ভব।

গুটিকয়েক জেনেটিক সমস্যা ছাড়া অধিকাংশ রোগই প্রতিরোধ করা কঠিন নয়। কিন্তু যারা ইতিমধ্যে নানাবিধ সমস্যা বাঁধিয়ে ফেলেছেন তাদের উপায় কি?

যারা ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার, হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার, গ্যাস্ট্রিক আলসার, এলার্জি, এজমা, চর্মরোগ, অবসাদ, মাইগ্রেন, ডিমেনশিয়া, ঘন ঘন ইনফেকশন, যৌন সমস্যা, বাত ইত্যাদি ক্রনিক সমস্যায় আক্রান্ত তাদের উপায় কি?

তাদের জন্যও আছে সুখবর! গুটি কয়েক সমস্যা ছাড়া অধিকাংশ ক্রনিক ডিজিজ রিভার্স বা পুনরুদ্ধার করা যায়। এজন্য যা যা করতে হবে:

ধাপ-১ : দেহের ওজন বা অতিরিক্ত চর্বি কমানো

হাই কার্বোহাইড্রেট গ্রেইন ও সুগার পরিত্যাগ, লো কার্বহাই ফ্যাট ডায়েট ,ফাস্টিং করতে হবে। এতে অতিরিক্ত চর্বি দূর হবে, মেটাবোলিক সিন্ড্রোম দূর হবে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স রিভার্স করবে, গ্রোথ হরমোন বৃদ্ধি পাবে, ইনফ্লেমেশন হ্রাস পাবে, দেহ থেকে টক্সিন ও বর্জ্য অপসারণ হবে, ইমিউনিটি বুস্টিং হবে।

ধাপ-২ : অন্ত্র বা গাট হেলথ পুনরুদ্ধার

গমের তৈরি সকল খাবার, প্রসেসড ফুড, ভেজিটেবল অয়েল, ডিপ ফ্রাই ফুড, লাল চাল, ফাস্ট ফুড, বেকারি প্রোডাক্ট, ডেইরী প্রোডাক্ট ইত্যাদি ত্যাগ করতে হবে।
প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খেতে হবে। হেলদি ফ্যাট ও প্রোটিন খেতে হবে। প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক খেতে হবে। এন্টিবায়োটিক পরিহার করতে হবে। কেমিক্যাল, প্রিজার্ভেটিভ পরিহার।

ধাপ-৩ : লিভার সমস্যা পুনরুদ্ধার

দেহের স্বাস্থ্য ফেরত আনতে লিভার সমস্যা দূর করতেই হবে। আশার কথা হল, লিভার অনেকাংশে ড্যামেজ হলেও তা পুনরুদ্ধার সম্ভব। টক্সিন, কেমিক্যাল, ঔষধ/ড্রাগস নিয়ন্ত্রণ/পরিহার ,চিনি, জুস, সফট ড্রিংকস, মিষ্টি ফল, ড্রাই ফ্রুটস পরিহার। শাকসবজি, হেলদি ফ্যাট ও প্রোটিন খেতে হবে। এক্সারসাইজ করতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম ও রেস্ট নিতে হবে। লিভারের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করলে, হার্ট, কিডনি, ব্রেইন, চোখ ইত্যাদি অঙ্গের ফাংশন উন্নত হবে।

ধাপ-৪ : পুষ্টি নিশ্চিতকরণ

এসেন্সিয়াল নিউট্রিয়েন্ট যথা – সকল ভিটামিন, মিনারেল, ফ্যাটি এসিড, এমাইনো এসিড ও পানি নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনটার ঘাটতি থাকা যাবে না। কেবল রিয়্যাল ফুড ,ফাস্টিং, নিয়মিত এক্সারসাইজ,পর্যাপ্ত ঘুম, রোদ ও ন্যাচার টক্সিন প্রতিরোধ, স্ট্রেস কন্ট্রোল।

এগুলো পালন করলে আশা করা যায় ৩ মাস থেকে ৬ মাসের মধ্যে অধিকাংশ স্বাস্থ্য সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আপনার দেহকে সঠিক পুষ্টি ও পরিবেশ নিশ্চিত করলে সে একাই নিজেকে সুস্থ করতে সক্ষম।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।