গতকাল সোমবার (৭ই আগস্ট) কেরানীগঞ্জের জিনজিরা, আগানগর ও রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
অস্থির নিত্যপণ্যের বাজারে নাজেহাল ভোক্তারা। তাদের নাভিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে এবার বাড়ল ডিমের দাম। বাজারে প্রতি পিস মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা পর্যন্ত।
মুরগির লাল ডিম ডজন ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা ও সাদা ডিম ডজন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি ডজন হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়।
খুচরা বিক্রেতাদের মতে, করপোরেট ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ডিমের দাম বাড়াচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহে বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৪৪ টাকা ও সাদা ডিম বিক্রি হয়েছিল ১৩৫ টাকায়। সেটি বৃদ্ধি পেয়ে এখন যথাক্রমে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ ও ১৫০ টাকায়।
এদিকে ডিমের ঊর্ধ্বমুখী দামে হতাশ ক্রেতারা। তারা বলেন, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে আমিষের চাহিদা মেটানোর অন্যতম উপাদান ছিল ডিম। তবে সেই ডিমও এখন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
বাজার করতে আসা বিভিন্ন ক্রেতা জানান, প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। তবে এক পিস ডিম কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে ১৫ টাকা। ব্যাচেলরদের খাবারের মেন্যুর অন্যতম উপকরণ ডিম।
অর্থের অভাবে অনেকের ভালো কিছু কিনে খাওয়ার সামর্থ্য না থাকায় ডিম ছিল একমাত্র ভরসা। সেটিও এখন সিন্ডিকেটের কবলে। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম হুহু করে বাড়ছে। এতে ডিমের দাম বাড়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। বাজারে চলমান সিন্ডিকেট বন্ধ না করতে পারলে সামনের দিনগুলোতে দাম আরও বাড়বে।
এদিকে ডিমসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ চান খুচরা ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা। তাদের দাবি, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে নিয়ন্ত্রণে আসবে ভোগ্যপণ্যের দাম।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।