আজ সোমবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সপ্তাহের ২য় কর্মদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের (ডিএসই) মূল্য সূচক ও লেনদেন গতদিনের চেয়ে কমেছে।
আজ ডিএসইতে মোট ৫৭৭.০৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। গত কর্মদিবসে ডিএসইতে ৬১০.৬৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আজ গত কর্মদিবসের চেয়ে লেনদেন কম হয়েছে ৩৩.৬০ কোটি টাকার।

আজকের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ৩.৭৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬৩০৭.৮১ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহসূচক ১.৮১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৩৭২.১১ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ৩.২৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২১৪৩.৪৯ পয়েন্টে।
আজ ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে মোট ৩২৪ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৮ টি, দাম কমেছে ১০২ টির এবং দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬৪ টিকোম্পানির।
আজ ডিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ২০ তালিকার ৮ টি খাতের শেয়ার ছিল। দাম বৃদ্ধির শীর্ষ ২০ তালিকায় ছিল ১০ ইন্সুরেন্স খাতের শেয়ার।গতকাল ছিল ১৩ টি ইন্সুইরেন্স কোম্পানির শেয়ার।

আজ ডিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ২০ টি শেয়ারের তালিকা

আজ দাম কমার শীর্ষ ২০ তালিকার প্রথমে ছিল সিমটেক্স।

লেনদেনে শেয়ারের সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ফুয়াং ফুডের।

টাকার দিক দিয়ে লেনদেনে শীর্ষে ছিল ফুয়াং ফুডের।
অপরদিকে দেশের ২য় শেয়ার বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমলেও লেনদেন গতদিনের চেয়ে বেড়েছে । আজ সিএসই সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮.৪৮ পয়েন্ট কমে সূচক অবস্থান করছে ১৮৬৪৪.৯৯ পয়েন্টে।
আজ সিএসইতে মোট ১৩.১১ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকাল ছিল ১২.৩০ কোটি টাকা। আজ সিএসইতে গত দিনের চেয়ে ৮১ লাখ টাকার বেশি শেয়ারও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে।

আজ সিএসই তে মোট ১৪৮ টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৩ টির, কমেছে ৬১ টির এবং দাম অপরিবর্তিত ছিল ৫৪ কোম্পানির।
আজ সিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা তালিকায় বিভিন্ন খাতের শেয়ার উঠে এসেছে। তবে শীর্ষ ১০ তালিকার ৫ টি ছিল ইন্সুরেন্স খাতের শেয়ার।

আজ সিএসইতে দাম বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ টি শেয়ার।
আজ উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের বাজার শুরুতেই ইতিবাচক ধারাতে থাকলেও দিন শেষে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই সূচক গত দিনের চেয়ে কমে আজকের লেনদেন শেষ হয়েছে।
আজ ইন্সুরেন্স খাতে বিনিয়োগ করে অনেক লসে আছেন এমন কয়েকজন বিনিয়োগকারীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, লসে আছি তাও আফসোস নেই, কেনাবেচা করতে তো পারছি । কেননা ফ্লোর নামক অভিশাপ থেকে মুক্ত আছি এটাই বিশাল ব্যাপার। লাভ লস থাকবে কিন্তু নিজের শেয়ার নিজে বিক্রি করতে পারবনা এটা কোন কথা।
তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন বাজারের সবচেয়ে নিরাপদ খাত হলো ইন্সুইরেন্স খাত, এই খাতে বিনিয়োগ করলে লস থাকলে ও বছর শেষে ভালো লভ্যাংশ পাওয়া যায়। তাছাড়া গত ২ বছরের ধারাবাহিক বাজারদর কারেকশন হবার কারণে এই খাতের অনেক শেয়ার ক্রয় উপযোগী আছে, যে কারণে আমরা কোন চাপ অনুভব করছি না। সাময়িক লসে থাকলেও আগামীতে লাভে চলে আসবো।