অর্থ লিপি

১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

রোগ মুক্তির শ্রেষ্ঠ মেডিসিন ফাস্টিং: ৭ম পর্ব

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

রোগ মুক্তির শ্রেষ্ঠ মেডিসিন ফাস্টিং : ৭ম পর্ব

ধাপে ধাপে ফাস্টিং

হুটহাট করে লম্বা সময় ফাস্টিং করতে যাওয়া ঠিক হবে না। এতে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্টেপ বাই স্টেপ এক্সটেন্ডেড ফাস্টিং যেতে হবে।

১ম ধাপ : স্ন্যাকস পরিহার

ফাস্টিং শুরুর আগে সপ্তাহ সকল স্ন্যাকস পরিহার করুন। অর্থাৎ বেলা আহারব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ডিনার এর বাইরে কোন কিছু খাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট আহারের বাইরে দুধচিনির চাকফি, সফট ড্রিংকস, জুস, বিস্কুট, কেক, আইসক্রিম, সিঙ্গারা, সমুচা ইত্যাদি পরিহার করার অভ্যাস গড়ুন। এভাবে খেলে আপনার সুগার কার্বোহাইড্রেট আসক্তি অনেকাংশে কমে আসবে। এতে অভ্যস্ত হলে আপনার শরীর ফাস্টিং এর জন্য অনেকটাই প্রস্তুত হয়ে যাবে।

২য় ধাপ : ফিডিং জোন ফাস্টিং জোন

এই ধাপে আপনাকে দিনের ২৪ ঘন্টাকে দুটো জোনে ভাগ করতে হবেফিডিং জোন ফাস্টিং জোন। দিনের সকল আহারকে ফিডিং জোনে রাখতে হবে এবং ফাস্টিং জোনে পানিছাড়া আর কিছু খেতে পারবেন না। আপনার সুবিধা অনুযায়ী ফিডিং জোন ঠিক করে নিন। সেটা নিম্নোক্ত উপায়ে হতে পারে :

ফিডিং জোন : ১২ ঘন্টা

ব্রেকফাস্টসকাল টা, লাঞ্চবেলা টা, ডিনাররাত টা।

ফাস্টিং জোন : ১২ ঘন্টা

রাত টা থেকে সকাল টা পর্যন্ত পানি ছাড়া সকল পানাহার বন্ধ রাখুন।

এভাবে সপ্তাহ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। এই ধাপে আপনার প্রায় ১২ ঘন্টা ফাস্টিং হয়ে যাবে। এতে সুগার আসক্তি কমবে এবং ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা কমে আসবে।

৩য় ধাপ : ফিডিং পিরিয়ড সংকোচন

এই ধাপে ফিডিং পিরিয়ডকে সংকোচন করতে হবে। যেমন ১২ ঘন্টা থেকে ১০ ঘন্টায় কমিয়ে আনুন। এই ধরুন সকাল টায় নাস্তা, দুপুর টায় লাঞ্চ সন্ধ্যা টায় ডিনার। এতে আপনার ১৪ ঘন্টা ফাস্টিং হল এবং দেহ দীর্ঘ মেয়াদি ফাস্টিং এর জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

৪র্থ ধাপ : ব্রেকফাস্ট পরিহার

হঠাৎ একদিন ব্রেকফাস্ট বা সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে দিন। ব্রেকফাস্ট বাদ দিলে ঘন্টাএকটু ক্ষুধা লাগতে পারে, কিন্তু তা কষ্ট করে ইগনোর করুন। দেখবেন কিছুক্ষণ পরে ক্ষুধা কমে গেছে। আপনি পানি, গ্রিন টি পান করতে পারেনসমস্যা নেই। আপনি যদি বেলা টায় লাঞ্চ করেন তবে ২০ ঘন্টা ফাস্টিং হয়ে গেল। সপ্তাহে দিন ২০ ঘন্টা ফাস্টিং করলে ধীরে ধীরে শরীর এডজাস্ট করে ফেলবে এবং ক্ষুধা কষ্ট ব্যাপক ভাবে কমে যাবে।

৫ম ধাপ : ব্রেকফাস্ট লাঞ্চ পরিহার

ধরুন, একবার রাত টায় ডিনার সারলেন এবং পরের দিন ব্রেকফাস্ট লাঞ্চ পরিত্যাগ করলেন। আবার রাত টায় ডিনার করলেন। আপনার ২৪ ঘন্টা ফাস্টিং হয়ে গেল। সপ্তাহে দিন (যেমনসোমবার বৃহস্পতিবার) করলে ধীরে ধীরে সহজ হয়ে যাবে। যারা মুসলিম তারা সোমবার বৃহস্পতিবার রোজা রাখার নিয়ত করুন, সুন্নাত আদায় হলো ফাস্টিং হলো।

৬ষ্ঠ ধাপ : ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ডিনার পরিত্যাগ

এটা সকলের প্রয়োজন নেই। যাদের ৩০৫০ কেজি ওজন কমাতে হবে তাদের দীর্ঘমেয়াদি (extended) ফাস্টিং প্রয়োজন( ফাস্টিং এর মাঝে শুধু পানি খাবেন) তারা ৩৬ ঘন্টা কিম্বা ৪৮ ঘন্টা ৭২ ঘন্টা ফাস্টিং করতে পারেন। এতে ভয়ের কিছু নেই।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।