দেশের শেয়ার বাজারে চলছে অস্থিরতা অনেক দিন ধরে, সাথে চলছে আস্থার সংকট। এখন যেন বিনিয়োগকারীরা ভালোকে খারাপ মনে করে খারাপ কেই ভালো মনে করে ।
এ যেন এক অদ্ভুত আচরণ বাজারের। যে সব কোম্পানি লভ্যাংশ দেয় না গত ১০-১৫ বছর সেই সব শেয়ারের চাহিদা বাজারে ব্যাপক। পক্ষান্তরে যাদের উৎপাদন আছে, নিয়মিত লভ্যাংশ দেয়, এজিএম সম্পন্ন করে, সে সব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে মানুষ ভয় পাচ্ছে।
আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, বাজারে ৩৭৫ টাকা সম্পদ মূল্য লোকসান থাকা সত্ত্বেও সেই সব শেয়ার বাজারের দাম বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় চলে আসলেও, যারা ভালো কোম্পানি নিয়মিত লভ্যাংশ দেয় সেই সব কোম্পানি ফ্লোর দামে কিনতে ও ভয় পায় বিনিয়োগকারীরা।
এ যেন দুধ বেচে মদ খাওয়ার মতো প্রবাদের বাস্তবে রুপ যেন শেয়ার বাজারে।
গতকাল বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল একান্ন শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছে এবং ইবনে সিনা ফার্মাসিক্যালস লিমিটেড কোম্পানিটির ৬০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার পরেও উভয় কোম্পানিটি আজ এখন পর্যন্ত গত ১০.৩৫ মিনিটে ইবনে সিনার লেনদেন হয়েছে মাত্র ২০৭৮ টি শেয়ারের।

অপরদিকে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবেলের লেনদেন হয়েছে মাত্র ২৪৮ টি শেয়ারের।

সার্বিক বাজার পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এভাবে যদি ভালো মৌলবৃত্তি সম্পন্ন কোম্পানি গুলির লেনদেন বন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে শেয়ার বাজারের প্রতি মানুষের আস্থা উঠে যাবে।
বাজার সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকদের বিষয়টি নিয়ে জরুরী কার্যকরী বৈঠক করা দরকার, কিভাবে শেয়ার বাজার ও দেশের স্বার্থে বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন ফিরিয়ে আনা যায়।