অর্থ লিপি

২৯ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

গণহারে গ্যাস্ট্রিক, বাঁচার উপায়: পর্ব-২

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বুঝতে হলে আমাদের পরিপাকতন্ত্র সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান রাখতে হবে। আমরা যে খাবার খাই তা অন্ননালী (esophagus) হয়ে পাকস্থলীতে (stomach) পৌছায়। পাকস্থলী একটি থলের মত এবং  এর কাজ হচ্ছে :

১. সাময়িকভাবে খাবার স্টোর করা

২. সংকোচন–প্রসারণের মাধ্যমে খাদ্যকে ভাঙা

৩. স্টমাক এসিডের মাধ্যমে জীবাণু ধ্বংস করা

৪. খাদ্য, বিশেষত প্রোটিন পরিপাক শুরু করা

পাকস্থলীর প্রাচীরে অবস্থিত গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি গ্যাস্ট্রিক জুস বা স্টমাক এসিড তৈরি করে – এতেহাইড্রোক্লোরিক এসিড থাকে। পাকস্থলীর অন্তগাত্রে মিউকোসা নামক আবরণ থাকে। এইআবরণ পাকস্থলীকে HCl এসিডের হাত থেকে রক্ষা করে।

যদি কোন কারণে পাকস্থলীর অন্তগাত্র (lining) ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ক্ষত বা ঘা হয়, তবে পাকস্থলীর এসিড পাকস্থলীকেই আক্রমণ করে। শুরু হয়ে যায় অসহ্য যন্ত্রণা, জ্বালাপোড়া, গ্যাস । এরপর আলসার, এমনকি পাকস্থলী ছিদ্রও হয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় খাওয়া শুরু হল এন্টাসিড জাতীয় গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ। এসব ঔষধের কাজ কি? গ্যাস্ট্রিক জুসের HCl এসিডকে প্রশমণ (neutralize) করা।  আহা! খুব আরাম!

হ্যাঁ, গ্যাস্ট্রিকের ঔষধে ব্যাপক আরাম পাবেন। কিন্তু এসব দিয়ে পরিপাকের জন্য ও জীবাণু ধ্বংসের জন্য অত্যাবশকীয় স্টমাক এসিডকে শেষ করে দিলেন, তার  পরিণাম যে আরও ভয়াবহ – তা কি জানেন?

সে আলোচনা থাকছে পরবর্তী পর্বে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।