আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পি (ডিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।আজ আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমান নামমাত্র বেড়েছে ।
আজ প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক নিম্নমুখী ছিল তবে বাকি দুই সূচক ছিল কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।

আজ ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’৬.৫৭ পয়েন্কমেছে । বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ২.৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৫ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৬.৬৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৩২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৬৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৬৩৫.৯৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৬ টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৯ টি কোম্পানির, বিপরীতে ২২৭ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৩০ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজ দিনের শুরুতে সূচক ও লেনদেনে আশা জাগিয়ে দিনশেষে নেতিবাচক ধারাতে বাজার শেষ হবার কারণে বিনিয়োগকারীদের দারুণ হতাশায় পরতে দেখা গেল। শুরুতে আশা জাগিয়ে দিন শেষে বাজার নেতিবাচক ধারাতে চলে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পরেছেন। গতকাল সূচক ১০৯ পয়েন্ট বাড়াতে শেয়ারের দাম যা বেড়েছিল, আজকে সূচক ৬ কমাতে তার চেয়ে বেশি দাম কমে গিয়েছে বেশির ভাগ শেয়ারের।
গতকাল বাজার ভাল যাবার কারণে আজ দিনের শুরুতে অনেক বিনিয়োগকারী নিটিং এর উদ্দেশ্যে শেয়ার কিনে দিন শেষে লস করে আশাহত হতে দেখা গেল।
বাজার নিয়ে টেকনিকাল এনালাইসিস করে এমন একজন অভিজ্ঞ এনালিস্টের সাথে আজকে আলাপ কালে তিনি জানান, কিন্তু আসলে তো বাজারে প্রকৃত কারেকশন দেখা যায়না। বাজার কারেকশন শুরু করলে তা পতনে চলে যায়। তিনি জানান, বাজারের অনেক বিষয়ের কারনে বাজার প্রকৃত আচরণ করতে পারেনা।
আজ ৮/৯ জন বিনিয়োগকারীর সাথে আলাপ করে জানা গেল তাদের মধ্যে ৫ জনই আজ নিটিং করতে গিয়ে লসের সম্মুক্ষিন হয়েছেন। আজকের বাজারের চিত্র দেখে সহজেই অনুমান করা যায় বহু শেয়ার আজ ট্রেডিং থাকা বিনিয়োগকারীদের এডজাস্ট চাপে পরেছিল।
লেনদেন শেষে এই বিষয়টি নিয়ে বাজারের একজন অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বাজার স্থিতিশীল না থাকলে কখনোই নিটিং করা ঠিক নয়। যদি না হাতে এডজাস্ট দেয়ার মতো ফ্রি টাকা না থাকে। তিনি বলেন বাজারে ইন্সটিটিউট লেভেলের বিওতেও ইদানীং এই নিটিং চলছে, যারা ফলশ্রতিতে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।