পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফুয়েল ও পাওয়ার খাতের কোম্পানি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি (EPGL) সম্প্রতি শীর্ষ কমার্শিয়াল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও অ্যাপ্লায়েন্স মোটর উৎপাদক নিডেক লেরয়–সোমারের (Nidec Industrial Automation India Private Ltd) অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে।
ঢাকার এনার্জি পয়েন্টে সম্প্রতি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি এবং নিডেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের মধ্যে এ বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও হুমায়ুন রশিদএবং নিডেক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের (লেরয়–সোমার) আফটার সেল সার্ভিস বিভাগের ডিরেক্টর শ্রীনিবাসন তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষেসমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে এনার্জিপ্যাকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জিডিভিশনের চিফ বিজনেস অফিসার মোহাম্মদ মাসুম পারভেজ এবং পিইডি সার্ভিস অ্যান্ডস্পেয়ার ডিভিশনের সিনিয়র ম্যানেজার আফজাল হোসেন।
নিডেক লেরয়–সোমার ইলেক্ট্রোমেকানিকাল ড্রাইভ সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ড্রাইভ সিস্টেম ওইন্ডাস্ট্রিয়াল অল্টারনেটর খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। ১৯১৯ সাল থেকে লেরয়–সোমার বিদ্যুৎউৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সেবা ও সমাধান করে আসছে।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে এখন থেকে বাংলাদেশের গ্রাহকরাও জেনারেটরের গুরুত্বপূর্ণযন্ত্রাংশ, যেমন– মোটর ও অল্টারনেটর (নিডেক) কিনতে পারবে।
এছাড়া এনার্জিপ্যাকের কাছ থেকে নিডেকের খুচরা যন্ত্রাংশ, বিক্রয়োত্তর সেবা, এবং মাঝারিও উচ্চ–ভোল্টেজ অল্টারনেটরের (২০ কেভিএ থেকে ৪ এমভিএ পর্যন্ত) ওয়ারেন্টি–সম্পর্কিতপরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হুমায়ুন রশিদবলেন, আমরা নিডেকের অংশীদার হতে পেরে আনন্দিত। এখন থেকে বাংলাদেশেওনিডেকের বিভিন্ন ইলেকট্রিক সলিউশনস পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা সব সময়গ্রাহকদের জন্য উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ অংশীদারিত্ব সেইপ্রচেষ্টার প্রতিফলন। আশা করি, আমাদের পণ্য ও পরিষেবা গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ হয়েউঠবে।
উল্লেখ্য কোম্পানিটি কয়েকমাস যাবৎ ফ্লোর প্রাইজে আটকে আছে ।বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চরম হতাশা কাজ করছে।কোম্পানির এমন একটা খবরে কোম্পানির প্রতি মানুষের চাহিদা সৃষ্টি হবে হয়ত।