অর্থ লিপি

২১ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

গত সপ্তাহের শেষ ২ দিনের ইতিবাচকতা থাকবে কি এই সপ্তাহে?

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

গত সপ্তাহে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক শেয়ার লেনদেন কমেছে।বাজার নিয়ে ছিল বাজারজুড়ে হতাশা।তবে সপ্তাহের শেষ দুইদিন কিছুটা আশা জেগেছিল ।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ার লেনদেন কমেছে প্রায় ২৯শতাংশ। একই সঙ্গে ডিএসইর সার্বিক সূচক কমেছে .৪৪ শতাংশ।

অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক শেয়ার লেনদেন কমেছে।

সার্বিক শেয়ারবাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইএক্স আগেরসপ্তাহের তুলনায় . ৪৪ শতাংশ কমে হাজার ৯৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষেযা ছিল হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ সপ্তাহের ব্যবধানে.৩০ শতাংশ বেড়ে হাজার ৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল হাজার৫২ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস .৭৭ শতাংশ কমে হাজার ২৯৩ পয়েন্টেদাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল হাজার ৩০০ পয়েন্টে।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া মোট ৪১২টি কোম্পানি ,মিউচুয়াল ফান্ড করপোরেটবন্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৩টির, দাম কমেছে ২২৯টির আর দাম অপরিবর্তিত ছিল৩৩টির। এছাড়া কোন লেনদেন হয়নি ১৭টির।

গত সপ্তাহে সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে রেনাটা, ব্রিটিশ আমেরিকানটোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি, বেক্সিমকো ফার্মা, বীকন ফার্মা, রবি আজিয়াটা, পূবালীব্যাংক ইউসিবির শেয়ার।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে হাজার ৯৮৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনহয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে লেনদেন ছিল হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। সে হিসাবেএক্সচেঞ্জটিতে সাপ্তাহিক লেনদেন কমেছে ২৮.৯৫ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিকগড়ে ৪৯৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে আগের সপ্তাহে ছিল ৫৫৯ কোটিটাকা। গত সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে লাখ ৯২ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা।এর আগের সপ্তাহে মূলধন ছিল লাখ ৯৯ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। এক সপ্তাহেরব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে .০১ শতাংশ।

খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৮. শতাংশদখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে প্রকৌশল খাত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭. শতাংশ দখলেনিয়েছে ওষুধ রসায়ন খাত। ১০. শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেখাদ্য খাত। মোট লেনদেনের ১০ শতাংশের ভিত্তিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল বস্ত্র খাত। আরব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের . শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে ইতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল ভ্রমণ . শতাংশ, সিরামিক .৮৫শতাংশ, , সিমেন্ট .৮৪ শতাংশ,  কাগজ খাতের .১৭ শতাংশ

অন্যদিকে নেতিবাচক রিটার্নে শীর্ষে ছিল খাদ্য খাতে রিটার্ন এসেছে যথাক্রমে .৫৮ শতাংশ, টেলিকমে .০৪ শতাংশ ,জীবন বীমা .৯৮ শতাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত . শতাংশ।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই.৯০ শতাংশ কমে ১৬ হাজার ৯৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৭ হাজার৯০ পয়েন্টে। সিএসসিএক্স সূচকটি গত সপ্তাহ শেষে .৯১ শতাংশ কমে ১০ হাজার ১৬৯পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহ শেষে সূচকটির অবস্থান ছিল ১০ হাজার ২৬২পয়েন্টে। সিএসইতে গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৬৬ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৭৪ কোটি টাকা। সময়ে সিএসইতে লেনদেন হওয়া৩১২টি কোম্পানি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০৪টির, কমেছে ১৮৬টির, অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টির।

সার্বিকভাবে বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেল গত সপ্তাহে বাজার নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা  ছিল না।বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীগন চরম আস্থার সংকটে ভুগছেন। কোন কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছেনা।তেমন কোন ইস্যু ছাড়াই বাজার দোদুল্যমান অবস্থায় দুলছে।

গত সপ্তাহের শেষ দিনের  ইতিবাচকতা থাকবে কি এই সপ্তাহেটানা কার্যদিবস পতনের পরে ,গত সপ্তাহের শেষ দিন সূচক বাড়াতে   বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আশান্বিত হতে দেখা গেল।দেখা যাক নতুন সপ্তাহে বাজার কেমন আচরণ করে।

বাজারের সার্বিকদিক নিয়ে অভিজ্ঞ একজন বাজার বিশ্লেষকের সাথে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি জানান এই সপ্তাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সূচক কম হলেও যেন ইতিবাচক অবস্থায় থাকে।তিনি বলেন মানুষ এখন ভয়ে আছেন,মানুষের  মনের ভয় কাটার জন্যে বাজার ইতিবাচক থাকা খুব জরুরী।

 

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।