গোসল করানোর সময় শিশুর কানে পানি ঢুকে গেলে শিশুর কান পাকতে পারে। শিশুকে চিৎ করে শুয়ে খাওয়ানোর সময় ইউস্টেশিয়ান নালী (গলা ও কানের সংযোগ নালী) দিয়ে দুধ কানে চলে গেলে শিশুর কান পাকতে পারে। শ্বাসনালীর উপরিভাগের কোন রোগ হতেও কান পাকতে পারে।
করণীয় :
কান থেকে পুঁজ বের হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা মেনে চলতে হবে।
শিশুর কানের পুঁজ পরিষ্কার করে দিতে হবে।
সর্দি থাকলে শিশুর নাক পরিষ্কার রাখতে হবে, প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
কানের ব্যাথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে। তাছাড়া ব্যাথা কমানোর জন্য
কানের পাশে গরম সেঁক দিলে শিশু আরাম বোধ করতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে কান পাকতে থাকলে কানের পর্দায় স্থায়ীভাবে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়:
পুকুরে ডুব দিয়ে গোসল বন্ধ করতে হবে।
শিশুর গোসলের আগে ছোট্ট তুলো দু’কানে দিয়ে দিতে হবে এবং গোসলের পর পরই তা খুলে ফেলতে হবে।
শিশুকে দুধ বা পানি চিৎ করে শুইয়ে খাওয়ানো যাবে না।
সর্দি হয়ে শিশুর নাক ও কান বন্ধ হয়ে গেলে নাক পরিষ্কার করে দিতে হবে।
বড় শিশুদের নাক পরিষ্কার করা শেখানো উচিত।
Author
-
এম.বি.বি.এস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডিসিএইচ, এফসিপিএস-শিশু (শেষ পর্ব) পিজিপিএন-বোষ্টন ইউনিভার্সিটি (USA) নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ। লাকসাম জেনারেল হসপিটাল বাইপাস, লাকসাম, কুমিল্লা।
View all posts