৩০ বছর বয়সে আমাদের হাড়ের ঘনত্ব সর্বাধিক থাকে। এরপর বয়স বাড়ার সাথে হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। হাড়ের পুষ্টি ও যত্ন যথাযথ না হলে ৪০-৪৫ এর পর থেকে হাড়ক্ষয় (Osteoporosis) দেখা দেয়। ব্যাক-পেইন, জয়েন্ট পেইন (Arthritis) শুরু হয়। কিন্তু উপযুক্ত খাদ্য ও লাইফস্টাইল দ্বারা সারাজীবন হাড় মজবুত রাখতে পারেন।
নিচে কিছু উপায় উল্লেখ করা হল
১। ভিটামিন-ডি যুক্ত খাবার খান এবং রোদে যান। তৈলাক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, মাশরুম এ ভিটামিন ডি আছে।
২। ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খান। মাছের কাঁটা, ইলিশ মাছ, ব্রুকলি, পালংশাক, লাল শাক, মূলা শাক, কাঠবাদাম, কালোজিরা ইত্যাদিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে।
৩। নিয়মিত ব্যায়াম করুন, বিশেষ করে ভারোত্তোলন (Strength training)। যারা অলস জীবনযাপনে অভ্যস্ত তাদের হাড়ক্ষয় হবার সম্ভাবণা সর্বাধিক।
৪। ধুমপান ও মদ্যপান পরিহার।
৫। রক্তের pH ঠিক রাখতে এসিড উৎপাদক খাদ্য পরিমিত হারে গ্রহণ। ফাস্ট ফুড, প্রসেসড ফুড, চিনি, ভাত-রুটি ইত্যাদি সীমিতকরণ।
৬। প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খান।
৭.। উন্নত মানের প্রোটিন খান (ডিম, মাছ ও মুরগী)।
৮। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। (আপনি কি বাড়তি ২০-৩০ কেজি ওজন বহন করে চলছেন?)
৯। ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক যুক্ত খাবার খান।
১০। ওমেগা-৩ ফ্যাট যুক্ত খাবার খান।
মনে রাখবেন, ঔষধ দিয়ে হাড়ক্ষয় প্রতিরোধ সম্ভব নয়। কেবল পুষ্টি ও এক্টিভিটি দ্বারাই তা সম্ভব।