অর্থ লিপি

১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

সিন্ডিকেটে বাড়ছে মোটা চালের দাম, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সারাদেশজুড়ে মোটা চালের দাম বেড়েছে, চালের বাজার হয়ে উঠেছে অস্থির। হঠাৎ করেই মোটা চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন মধ্যবিত্ত নিম্ন আয়ের মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছেন।দুই সপ্তাহের ব্যবধানে সারাদেশে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চালের দাম বেড়েছে থেকে টাকা পর্যন্ত। তবে চিকন চালের দাম বেড়েছে তুলনামূলক কম।

পরিচিত জন চালকল মালিকের সাথে কথা বললে তারা বলছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার কারণে মোটা চালের চাহিদা বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে ধানের দাম মণ প্রতি বেড়েছে ১৬০১৯০ টাকা। এছাড়া রয়েছে ধানের সংকট।

অপরদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করে মোটা চালের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগে চালকল মালিক কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়াচ্ছে।

জানা যায়, দুই সপ্তাহ আগে বাজারে প্রতি কেজি স্বর্ণা চালের দাম ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি। তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৫৬ টাকায়। কাজললতা ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪৬৫ টাকায়। আর চিকন চাল হিসেবে পরিচিত মিনিকেট ৬৫ থেকে এখন ৭০ টাকা।

গতকাল শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) মিরপুর এবং মিরপুর ১১ নাম্বার বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। এছাড়াও কাজলতা ৬৫, আঠাশ ৬২, মিনিকেট ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিরপুর ১১ বাজারে চাল কিনতে আসা এক জন ক্রেতা বলেন, ‘গত বছর যে চাল ৪০ টাকায় কিনতাম তা এখন ৫৫ টাকা করে কিনতে হচ্ছে।

সরকার অনেক জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে টিভিতে দেখি। তবে চাল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালাতে দেখি না বুঝে আসেনা।

আরেক চাল ক্রেতা বলেন, ‘আগের চেয়ে কেজি প্রতি টাকা বেশি দামে চাল কিনলাম।ব্যবসায়ীরা তাঁদের খেয়াল খুশি মত চালের দাম বাড়িয়েই যাচ্ছেন। প্রশাসন এখন পর্যন্ত এদিকে নজর দিচ্ছে না।

মিরপুর ১১ বাজারের একজন চাল ব্যবসায়ী বলেন, ‘মাস দেড়েকে আগে হঠাৎ করেই মিনিকেট  চালের দাম বেড়ে গেছিল। আবার নতুন করে কোনো নির্দেশনা ছাড়াই ১৫ দিনআগে মোটা চালের দাম কেজি প্রতি থেকে টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে চালকল মালিকরা।তারা সিন্ডিকেট করে যখন যা ইচ্ছে তাই করে। এজন্য ক্রেতাদের সঙ্গে আমাদের বিবাদে জড়াতে হয়।

মিরপুর কালশী এলাকার একজন মুদি ব্যবসায়ী বলেন, ‘আড়ত থেকে বেশি দামে চাল কিনে এনে আগের মত বিক্রি করতে পারছি না। আমাদের কাছে থেকে সাধারণত নিম্ন আয়ের মানুষেরা চাল কেনে। কয়েকদিন ধরে চাল বিক্রি অনেক কমে গেছে।

একজন অটো রাইস মিলের মালিক জানান, ‘পরিবহন, শ্রমিক বিদ্যুতের দাম যেভাবে বাড়ছে সে তুলনায় চালে দাম বাড়েনি। এছাড়াও হঠাৎ করে ধানের দামও বেড়ে গেছে। তাই কয়েক প্রজাতির চালের দাম কেজি প্রতি খুবই সামান্য বাড়ানো হয়েছে।

অন্য আর একজন মালিক বলেন, ‘বাজারে আগের মত ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে মোটাচাল ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা উৎপাদন করতে পাচ্ছি না। এজন্য মোটা চালের দাম অল্প কিছু বেড়েছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন দোকানে চালের দাম নিয়ে খোজ খবর নেয়া কালে মিরপুরের একজন ব্যবসায়ী জানালেন যদি টানা কয়েকদিন চালকল ও বড় আরতদারদের মনিনিটরিং করা হতো এবং অনিয়ম দেখলে শাস্তির আওতাধীন করা হতো তাহলে চালের দাম নিয়ন্ত্রনে চলে আসত।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।