তারুণ্য ধরে রাখতে ফাস্টিং এর ভূমিকা
আমাদের কোষের ভিতর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঙ্গাণু আছে, যেগুলো নানা কাজে লিপ্ত। বিভিন্ন কারণেই এসব অঙ্গাণুর ক্ষয় হয় এবং নানা ত্রুটি দেখা দেয়। তখন ঐ কোষ ঠিকমত তার কাজকর্ম করতে পারে না কিংবা রুগ্ন কোষগুলো কাজ করাই বন্ধ করে দেয়।
অটোফেজি এমন একটা প্রক্রিয়া যা কোষের ত্রুটিপূর্ণ অংশ রিসাইক্লিং করে মেরামত করে এবং জঞ্জাল ও টক্সিন অপসারণ করে। অটোফেজি দেহের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা অবিরাম চলমান। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে এবং বিভিন্ন কারণে অটোফেজির হার কমে যায়।

অটোফেজির গতি বাড়াতে কতিপয় স্বীকৃত পন্থা আছে :
১. ফাস্টিং (২৪ ঘন্টা থেকে ৪৮ ঘন্টা)
২. লো–কার্ব হাই ফ্যাট ডায়েট বা কিটো ডায়েট
৩. এক্সারসাইজ (বিশেষত হাই ইন্টেন্সিটি)
অটোফেজির উপকারিতা :
বৃদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ কোষকে সতেজ ও সক্রিয় করে।
দেহের জঞ্জাল ও টক্সিন অপসারণ করে।
কোষের অভ্যন্তরে জীবাণু মেরে ফেলে।
মেমোরি, কনসেনট্রেশান ও ব্রেইন উন্নত করে।
দেহের জেনেটিক গঠন ঠিক রাখে।
বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে,যেমন :
ক্যান্সার ,ডায়াবেটিস ,হার্ট ডিজিজ, লিভার ডিজিজ, কিডনি ডিজিজ ,বিভিন্ন ব্রেইন সমস্যা,অটো–ইমিউন ডিজিজ।
সবচেয়ে বড় কথা – অটোফেজি বার্ধক্য প্রতিরোধ করে। তারুণ্য ধরে রাখতে চাই অটোফেজিচালু রাখা। তার জন্য ফাস্টিং সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা।
চলবে…..