অর্থ লিপি

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

কী কী কারণে একটি কোম্পানি জেড ক্যাটাগরিতে যেতে পারে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত AB ক্যাটাগরির টি কোম্পানি নতুন করে Zক্যাটাগরিতে স্থানান্তর হয়েছে। গতকাল রবিবার ( ৪ জানুয়ারি) থেকে কোম্পানিগুলোর শেয়ার Zক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরু করেছে

কোম্পানিগুলো হলো- আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, বিচ হ্যাচারি, বেস্ট হোল্ডিংস , ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ফু-ওয়াং ফুড,   জেমিনি সি ফুড,  কাট্টলি টেক্সটাইল, ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডস ও এস আলম কোল্ড রোল্ড ।

জানা গেছে  নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) করতে ব্যর্থ হওয়ায় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে জেড ক্যাটাগরিতে পাঠান হয়েছে

এদিকে, কোম্পানিগুলো  ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে হওয়ার সময়কালে কোম্পানিগুলোর শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে মার্জিন ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে না। সব স্টক ব্রোকার এবং মার্চেন্ট ব্যাংকারদের মার্জিন ঋণ সুবিধা স্থগিত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছে ডিএসই।

কী কী কারণে জেড ক্যাটাগরি যাবে

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ২০ মে মাসে আদেশের বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি জারি করা আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে যেকোনো কোম্পানির শেয়ার জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নির্দেশনা জারি করেছিল। নির্দেশনায় বেশ কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়, তার যেকোনো একটি শর্ত লংঘন করলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ওই কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করতে পারবে বলেও জানানো হয়।

বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিজ বা কোম্পানি ঘোষিত লভ্যাংশের ৮০ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ বা বিতরণে ব্যর্থ হলে সেটি ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হবে।  

তালিকাভুক্ত কোম্পানি শেষ লভ্যাংশ ঘোষণার তারিখ থেকে বা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির তারিখ থেকে পরপর দুই বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে ব্যর্থ হলে জেড ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হবে।

আইন অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আয়োজনে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রেও ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত হবে। তবে কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়ার কারণে এজিএম আয়োজন করতে না পারলে সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

কোনো কোম্পানির উৎপাদন বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম ন্যূনতম ছয় মাসের জন্য বন্ধ থাকলে সেক্ষেত্রে সেই কোম্পানিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হবে। তবে যদি পুনঃসংস্কার কিংবা বিএমআরই কিংবা দৈব দুর্ঘটনাজনিত কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকলে সেক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। যদি তালিকাভুক্ত কোম্পানি অডিট রিপোর্টের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ (স্টক বা বোনাস ব্যতীত) ঘোষণা করে এবং বিতরণ করে তাহলে স্টক এক্সচেঞ্জের বিধি অনুসারে এ লভ্যাংশকে কোম্পানির শ্রেণীকরণ সমন্বয় বা স্থানান্তরের জন্য বিবেচনা করা হবে।

বিএসইসির ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে ব্যাংক, বীমা ও এনবিএফআই বাদে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা বা পরিচালকেরা বিএসইসির পূর্বানুমোদন ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কিংবা স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে কোনো মাধ্যমেই তাদের শেয়ার কেনাবেচা কিংবা স্থানান্তর করতে পারবেন না।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।