অর্থ লিপি

১ আগস্ট ২০২৬ শনিবার ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাজার নিয়ন্ত্রণে মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চায় সিপিডি

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বাজার নিয়ন্ত্রণে পণ্য সরবরাহ ও দামের কারসাজির পেছনে থাকা প্রভাবশালী খেলোয়াড়দের নজরদারির আওতায় আনার সুপারিশ করেছে ।

এসব খেলোয়াড় ও মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স চায় বেসরকারি এই গবেষণা সংস্থাটি।

আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া কোনো পদক্ষেপ এখনো জনজীবনে স্বস্তি আনতে পারেনি। পেঁয়াজ, আলু, বেগুন, সয়াবিন তেল ও চিনিসহ ১৪টি খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক উঠানামার জন্য মজুতদারি, কমিশন বাণিজ্য বড় প্রভাব রেখেছে। অন্তর্বর্তী সরকার অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহের বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজি, মজুতদারিসহ অন্যান্য অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার খাদ্যপণ্য সরবরাহ পর্যায়ে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে সাহসী ও জরুরি পদক্ষেপ না নিলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে পণ্য সরবরাহ ও দামের কারসাজির পেছনে থাকা প্রভাবশালী খেলোয়াড়দের নজরদারির আওতায় আনতে হবে। এসব প্রভাবশালী খেলোয়াড় ও মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে জানিয়ে ফাহমিদা বলেন, মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধির আরেকটি কারণ ২০২৪ সালে দেশের পূর্বাঞ্চলে সংগঠিত ভয়াবহ বন্যা।

গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে চিনির গড় দাম ছিল প্রতিকেজি ৪১ টাকা; বিশ্ববাজারে প্রতিকেজি ৫৩ টাকা; যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রতিকেজি ৯৭ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশের বাজারে তা ছিল প্রতিকেজি ১২৬ টাকা।

এছাড়া ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল প্রতি লিটারে ১২৮ টাকা, যেখানে বাংলাদেশের বাজারে সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল লিটারে ১৬৮ টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের অক্টোবর পর্যন্ত রাজস্ব আহরণে মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলেও জানান ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট এডিপি বাস্তবায়নে হার ছিল ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা বিগত ১০ অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।