ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদারের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী নাছরিন ইসলাম ও তাদের ছেলে-মেয়ের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়েছে।
গতকাল রবিবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এ নির্দেশনা দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
নজরুল ইসলাম মজুমদার এক্সিম ব্যাংক ও নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। গত ১৫ বছরে ব্যাংকগুলো থেকে চাঁদা তুলে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক কোম্পানি আইন পরিবর্তন করে উদ্যোক্তাদের সুবিধা বাড়ানো ও নীতি পরিবর্তনে ভূমিকা রেখে আসছিলেন তিনি।
বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ব্যক্তি ও তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো হিসাব পরিচালিত হয়ে থাকলে সেই হিসাবের লেনদেন মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২৩ (১) (গ) ধারার আওতায় ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখা এবং তাদের নামে কোনো লকার থাকলে তার ব্যবহার ৩০ দিনের জন্য বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হলো।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এরপর সাবেক সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী গ্রেপ্তার হয়েছেন। সেই সঙ্গে অনেক মন্ত্রী-এমপির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হচ্ছে।
নজরুল ইসলাম মজুমদারে নামে অনেক অভিযোগ আছে তার মধ্যে অন্যতম অভিযোগ ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন বহূবছর, ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তিনি নামে বেনামে বহু মানুষদের লোণ দিয়েছেন যার মধ্যে অনেকেই লোণ পাবার উপযুক্ত ছিলেন না।