অর্থ লিপি

৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

সাত খাতের আয়ে কর বসবে নতুন আয়কর আইনে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

চলতি ২০২৩২৪ অর্থ বছরের নতুন আয়কর আইনে একজন করদাতার সাতটি খাতের আয়ের ওপর কর নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আগামীকাল ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

সাতটি খাত যথাক্রমে – চাকরি থেকে আয়, ভাড়া থেকে আয়, কৃষি থেকে আয়, ব্যবসা থেকে আয়, মূলধনি আয়, আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয়, অন্যান্য উৎস থেকে আয়।

আয়কর অধ্যাদেশেও সব মিলিয়ে সাতটি খাতের আয়ের ওপর কর আরোপ করা হতো। তবে এবার  চলতি ২০২৩২৪ অর্থ বছরের নতুন আয়কর আইনে আয়ের খাতগুলো যুগোপযোগী করার পাশাপাশি পরিসর বাড়ানো হয়েছে। যেমন এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অনেকেই বেতন নেন না। ওই প্রতিষ্ঠান ওই পদস্থ কর্মকর্তাকে শেয়ার এবং অন্যান্য সুযোগসুবিধা দেয়। এখন থেকে ওই শেয়ারের মুনাফার অংশ চাকরি থেকে আয় হিসেবে বিবেচিত হবে। সেভাবেই কর নির্ধারণ করা হবে। এত দিন এই ধরনের আয়কে বেতন খাতের হিসাবে ধরা হতো না।

চলতি ২০২৩২৪ অর্থ বছরের নতুন আয়কর আইনে আয় খাতে যা আছে

চাকরি থেকে আয় খাতে চার ধরনের আয় যুক্ত করা হয়েছে, এগুলো হলো চাকরি থেকে প্রাপ্য যে কোনো প্রকার আর্থিক প্রাপ্তি, বেতন সুযোগসুবিধা, কর্মচারীর শেয়ার স্কিম থেকে অর্জিত আয়, কর অনারোপিত বকেয়া বেতন, অতীত বা নিকট ভবিষ্যতের কোনো নিয়োগ কর্তার কাছ থেকে প্রাপ্ত যে কোনো অঙ্ক বা সুবিধা।

তবে দুই ধরনের আয় বা আর্থিক প্রাপ্তি এই খাতে যুক্ত হবে না। যেমন শেয়ারহোল্ডার পরিচালক না এমন অন্য কোনো কর্মচারীর চিকিৎসার জন্য প্রাপ্ত অর্থ এবং দায়িত্ব পালনে যাতায়াত, ভাতা, ভ্রমণ ভাতা এবং দৈনিক ভাতা।

ভাড়া থেকে আয় খাতে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পত্তির মোট ভাড়া মূল্য থেকে নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন যোগ্য খরচ বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে, সেটি ভাড়া থেকে আয় হিসেবে বিবেচিত হবে। স্থাপনা সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনসহ বিভিন্ন খাতে খরচ করলে নির্দিষ্টপরিমাণ অর্থ বাদ দেওয়া হয়। সেটিই অনুমোদন যোগ্য খরচ।

 

কৃষি থেকে আয়  খাতে কোনো ব্যক্তির যে কোনো উদ্যান পালন, পশুপাখি পালন, ভূমির প্রাকৃতিক ব্যবহার, হাঁসমুরগি মাছের খামার, সরীসৃপজাতীয় প্রাণীর খামার, নার্সারি, ভূমি বা জলে যেকোনো ধরনের চাষাবাদ, ডিমদুধ উৎপাদন, কাঠ, ফলমূল, মধু বীজ উৎপাদনের মাধ্যমে অর্জিত আয়কে বোঝানো হয়েছে।

 

ব্যবসা থেকে আয় বলতে আইনে করদাতা পরিচালিত ব্যবসায় লাভ বা মুনাফাকে মোটা দাগে বোঝানো হয়েছে।

মূলধনি আয় ব্যাংক, বিমা আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে কোনো সম্পদ লিজ দিলেও তা ব্যবসার আয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় সম্পদ বিক্রি বা হস্তান্তরের মাধ্যমে উদ্ভূত মুনাফা বা লাভকে মূলধনি আয় ধরা হবে,  জন্য কর বসবে।

 

অন্যান্য উৎস থেকে আয় অন্যদিকে ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত আমানতেরবিপরীতে মুনাফার পাশাপাশি সরকারি সিকিউরিটিজ, ডিবেঞ্চারের লাভ বা মুনাফাকে এখন থেকে আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় হিসেবে ধরা হবে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।