অর্থ লিপি

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে অস্ট্রেলিয়া

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় বিভিন্ন দেশে শুল্কমুক্ত পণ্য রফতানির সুযোগ হারাতে হতে পারে। তবে এলডিসি উত্তরণের পরেও অস্ট্রেলিয়ায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির বাণিজ্য বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী সিনেটর টিম আয়ার্স।

শনিবার (২২শে জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক মালিক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ)।

এর আগে শুক্রবার (২১শে জুলাই) অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী বাণিজ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সিনেটর টিম আয়ার্স বলেন, অস্ট্রেলিয়া ২০২৬ সালে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও বাংলাদেশের রফতানির জন্য শুল্কমুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখবে।

বৈঠকে বাংলাদেশকে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তের জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।

 

বাণিজ্য সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে পোশাক রফতানি, বিশেষ করে উচ্চমানের ফ্যাশন পণ্যের জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল বাজার হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া থেকে তুলা ও উলের আমদানি বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানির সুযোগ থাকায় ব্যবসায়িক সম্পর্কোন্নয়নের মাধ্যমে উভয় দেশ লাভবান হতে পারে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর সহযোগিতায় বাংলাদেশের টেক্সটাইল, পোশাক, ফ্যাশন, ডিজাইন এবং ব্যবসার উন্নয়ন সম্ভব বলেও মনে করেন বিজিএমইএ সভাপতি।

এক্ষেত্রে বিজিএমইএর ইউনিভার্সিটি অফ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী। তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই অস্ট্রেলিয়া তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এরপর থেকেই দেশটি আমাদের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী বাণিজ্যমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বরোপ করেছেন। এরমধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। উভয়পক্ষই পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো খুঁজে বের করে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে লাভবান হতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।

বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন এবং এর সঙ্গে যুক্ত চ্যালেঞ্জ ও সেগুলো মোকাবিলার প্রস্তুতি , সাধারণ বাণিজ্য ইস্যু, বিনিয়োগের সুযোগ এবং সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিক বন্ধনে গতিশীলতা আনতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করে উভয় দেশ।

 

Author

  • 'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।